ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

এখনই সময় মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাওয়ার: জয়

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:৩১:৪৪ আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:৩২:৩৮
এখনই সময় মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাওয়ার: জয়

স্বাধীনতার এই সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গেছি, যেখান থেকে আমাদের আরও উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে। এখনই সময় নিজেদের বিকশিত করার মাধ্যমে মাথা উঁচু করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক থেকে এ পোস্টে এ কথা বলেন।

ওই পোস্টে জয় বলেন, তারুণ্যের অদম্য শক্তিতে সময়ের সঙ্গে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। প্রতিশ্রুতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার সঙ্গে আমাদের দায়বদ্ধতাও বেড়েছে। 

জয় বলেন, আমরা ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন করেছি, পদ্মাসেতুর মতো একটি অনন্যসাধারণ প্রকৌশলী নির্মাণশৈলী জাতিকে উপহার দিয়েছি, এসব কারণে ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিজয়ের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে আমরা সমর্থ হয়েছি। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য, ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন।    

নিজের স্মৃতি রোমন্থন করে জয় বলেন, এই ৫০-এ, আমি আমার সমবয়সী প্রিয় বাংলাদেশের মতো নিজের সুবর্ণজয়ন্তীও উদযাপন করছি। কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার জন্ম, নাম রাখা হয় জয়। এর কিছুদিনের মধ্যেই যুদ্ধে চূড়ান্ত জয় লাভের মাধ্যমে স্বাধীনতা রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এবং আমার জীবনের পথযাত্রা সমান ও সমান্তরাল, এই ভালোবাসার বন্ধন অবিচ্ছেদ্য। 

দেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মান জানানোর আশাবাদ জানিয়ে জয় বলেন, যাদের মহান আত্মদানের মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদিত হয়েছে স্বাধীনতার সূর্য, আমাদের সেই পূর্বপুরুষদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করার উপযুক্ত সময় এখনই।

আরও পড়ুন: কেমন আছেন শহীদ আজাদের মা

তিনি যোগ করেন, ভুলে গেলে চলবে না- আমরা একটা ফুলের জন্য যুদ্ধ করেছি, একটি মুখের হাসির জন্য যুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রিরা যাতে এই ফুলকে নষ্ট করতে না পারে, কারো মুখের হাসি কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য আমাদের সবাইকে একতাবদ্ধ থাকতে হবে।

শেষে, সবাই মিলে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা এবং বিশ্বের বুকে মর্যাদাবান রাস্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী পুত্র। 


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন