ঢাকা ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

ঢাকায় ভর্তি সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে: ডা. সামন্তলাল সেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:৩৭:৫৯ আপডেট: ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ ১৬:২৫:৩২
ঢাকায় ভর্তি সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে: ডা. সামন্তলাল সেন

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ ১৫ জনের চিকিৎসা চলছে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। চিকিৎসা নেওয়া প্রত্যেকের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন এ তথ্য জানিয়েছেন। দগ্ধদের চিকিৎসার বিষয়ে জানাতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। 

এর আগে ওই আগুনের ঘটনায় ২১ জনকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়। তাদের মধ্যে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) একজন মারা যান। চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন চারজন। একজনকে ক্যাজুলিটি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে ১৫ জন সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


ব্রিফিংয়ে ডা. সামন্তলাল বলেন, বর্তমানে ১৫ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে দুজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। একজন রয়েছে পিএইচডিওতে। ভর্তি হওয়া প্রত্যেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আইসিইউতে থাকা একজনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্যদের শরীরও পাঁচ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ।

তিনি বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি, লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হওয়া আরও ৩২ জন রোগী বরিশালে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেখানে তিনজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। তাদের সেখানেই রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কতজন শঙ্কামুক্ত, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. সামন্তলাল বলেন, পুড়ে যাওয়া রোগীদের অবস্থা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তারা শঙ্কামুক্ত কি না, তা এত দ্রুত বলা সম্ভব নয়। চিকিৎসা চলছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দগ্ধদের নিয়মিত খবর রাখছেন। গতকাল তিনি ফোন করে সার্বিক অবস্থা জানতে চেয়েছেন। আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ, দগ্ধ চার

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে একটি লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই আগুনের এখন পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। লঞ্চের ভেতর থেকে ফায়ার সার্ভিস ৩০ জনের এবং নদী থেকে কোস্টগার্ড ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে বরিশাল মেডিক্যালে এক শিশু ও ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে একজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ৩৭ জনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা।


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৩ দিন ১৪ ঘন্টা আগে