ঢাকা ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

পণ্যের দাম বাড়ায় গ্রামের মানুষরা ভুক্তভোগী: বিবিএস

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ ১৫:১৬:৩৫ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ ১৫:১৮:৩৫
পণ্যের দাম বাড়ায় গ্রামের মানুষরা ভুক্তভোগী: বিবিএস

প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে করে শহরের চেয়ে গ্রামের মানুষরা বেশি ভুক্তভোগী। 

সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ করে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চাল, ডাল, আটা থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি।

বিবিএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে গ্রামে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৬ দশমিক ২০ শতাংশে উঠেছে। একই সময়ে শহরে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত মাসে গ্রামাঞ্চলের একজন মানুষ যেখানে একটি পণ্য কিনেছেন ১০৬ টাকা ২০ পয়সায়, সেখানে একই পণ্য শহরের একজন গ্রাহক কিনেছেন ১০৫ টাকা ৫৯ পয়সায়। আবার শহরাঞ্চলে খাদ্যের মূল্যস্ফীতি যেখানে ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সেখানে তা গ্রামে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। 

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে উঠেছে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এছাড়াও, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও বেড়েছে। ভাড়া যা বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি ভাড়া জোর করে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বাজারে চাহিদা বাড়ছে। এসব কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।

এদিকে, রপ্তানি আয়ে কিছুটা স্থিতিশীলতা ও স্বস্তি আছে। তবে কোনো মাসে বাড়ে, কোনো কমে। তা প্রতি মাসে ৩০০–৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যেই থাকে। গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত রপ্তানি আয় এক মাসে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি ওঠেনি। অক্টোবরে অবশ্য রপ্তানি আয় সর্বোচ্চ ৪৭২ কোটি ডলার হয়েছে। তবে নভেম্বরে তা কমে ৪০৫ কোটি ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয়েও তেমন গতি নেই। 

একাত্তর/ এনএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন