ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

স্বস্তিতে শুরু, দুশ্চিন্তায় শেষ

তৃষ্ণা হোমরায়, একাত্তর
প্রকাশ: ০২ জানুয়ারী ২০২২ ১৩:০৫:০৫ আপডেট: ০২ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:১৬:৩০
স্বস্তিতে শুরু, দুশ্চিন্তায় শেষ

শেয়ারবাজারে বিদায়ী বছর শুরু হয়েছিল সূচকে বড়ো উত্থান দিয়ে। যা কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল বিনিয়োগকারীদের। সূচক, লেনদেন ও বাজার মূলধন বৃদ্ধিতে আগের সব রেকর্ড ভেঙেছিল ২০২১ সাল। তবে শুরু যতোটা স্বস্তির ছিল, শেষটা ছিলো ততোই দুশ্চিন্তার। বছরজুড়েই বিশেষ কিছু কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি বহাল ছিলো। তবু মামলাশূন্য ছিলো শেয়ারবাজারের জন্য গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির দ্বন্দ্ব, বারবার মার্জিন ঋণসহ নানা নীতির পরিবর্তন বাজারকে করেছে টালমাটাল। 

ডিবিএ’র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, গেলো বছরে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ২৫.০৮ শতাংশ। পার করেছে সাত হাজার পয়েন্টের মাইলফলকও। বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৪২ হাজার কোটিতে৷ নতুন বছরে আশা আরেকটু বেশি।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক মো. আল আমিন বলেন, বিদায়ী বছরে ১৫টি কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে এক হাজার ৬৫৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অকার্যকর হয় ওটিসি, চালু হয় এসএমই প্ল্যাটফর্ম। তবে বছরজুড়েই কারসাজির আলোচনায় ছিলো বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার। বছরের ব্যবধানে ফরচুনের শেয়ারের দাম ২০ টাকা থেকে ওঠে ১০০ টাকায়, জেনেক্স ইনফোসিস ৫০ থেকে ১৭০ আর সোনালী পেপার ২৭৩ থেকে ৯৫৭ টাকায় ওঠে। এমনকি বছরের শেষদিনেও মোট লেনদেনের ২৫ শতাংশ এদের দখলে ছিল। ঋণ নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেও, ঋণ নির্ভর বাজারেই আস্থা রেখেছে বিএসইসি। আর ২২ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড মুখ থুবড়ে পড়ে ১০০ কোটিতেই। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে সমন্বয়হীনতাও বার বার বাজারকে টালমাটাল করেছে। 

আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ নয়: প্রধান বিচারপতি

বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আশাকরি নতুন বছরে পুঁজিবাজারে সুশাসন জোরদার হবে। এরই মধ্যে দু'তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মার্কেট মেকার লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি অ্যাপ্লিকেশন চালু হলে বাজারে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে।


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন