ঢাকা ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১৬ মাঘ ১৪২৮

বৈষম্যের দুষ্ট চক্র যেনো নারী উদ্যোক্তার অমোঘ নিয়তি

কাবেরী মৈত্রেয়, একাত্তর
প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:০৩:০২ আপডেট: ০৬ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:০৭:৩২
বৈষম্যের দুষ্ট চক্র যেনো নারী উদ্যোক্তার অমোঘ নিয়তি

বৈষম্যের দুষ্ট চক্র যেনো নারী উদ্যোক্তার অমোঘ নিয়তি। করোনা ঋণ প্রণোদনার ক্ষেত্রেও তাই। ২০২১ এর শেষ ছয় মাসে ১৩টি ব্যাংক কোন নারীকে এক টাকাও ঋণ দেয়নি। বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, এই যদি হয় নারীবান্ধব ব্যাংকিং, তবে কেনো বিভিন্ন ব্যাংকে নারীদের নামে বাহারি স্কিম চালুর ছলচাতুরি! 

করোনাকালে নারী উদ্যোক্তারা যে আর্থিক ক্ষতিতে পরতে পারেন তা মাথায়ই আসেনি বিদেশী বাংলাদেশে ব্যাংকগুলো কর্মকর্তাদের। তাই গেলো বছরের ১ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত যে ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে সেখানে একজনও নারী উদ্যোক্তা নেই। 

বাংলাদেশি বেসরকারী বাণিজ্যিক ১০ টি ব্যাংকও এ সময়ে কোন নারী উদ্যোক্তাকে করোনা প্রণোদনা ঋণ দেয়নি। যদিও গত ৬ মাসে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা অর্থ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো ঋণ দিয়েছে মাত্র ৫ হাজার কোটি টাকারও কম। যা লক্ষ্যমাত্রার ২৪ শতাংশ। প্রায় ৩৩ হাজার প্রতিষ্ঠান অর্থ পেলেও নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠান খুবই কম।

ব্যাংক নিবার্হীদের শীর্ষ সংগঠন এবিবি আবার এই অনিহার পেছনের যুক্তিও তুলে ধরছে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার শুরুর পর থেকেই সিএমএমই খাতে প্রণোদনার অর্থ বিতরণে ঢিলেমিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দ্রুত সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে ব্যবসা থেকে ঝরে পড়েছে বিপুল সংখ্যক নারী উদ্যোক্তা। 

করোনায় ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন প্রতি একশো জনে ৪১ শতাংশ নারী। হতাশ নারী উদ্যোক্তারা বলছেন, নজরদারি সংস্থাগুলোর শৈথিল্য এজন্য দায়ী। 


একাত্তর/ এনএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন