ঢাকা ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ঢাকার সাথে সিলেট-চট্টগ্রামের বিকল্প সড়ক ২০২৪ নাগাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারী ২০২২ ১৩:১৩:৫৬ আপডেট: ০৯ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:০১:৪৪
ঢাকার সাথে সিলেট-চট্টগ্রামের বিকল্প সড়ক ২০২৪ নাগাদ

দীর্ঘ অপেক্ষা আর নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে পিপিপি ভিত্তিতে হাতিরঝিল-রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা সড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের চুক্তি সম্পন্ন হলো। রাজধানীর সঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সংযোগ সড়ক এটি। 

১৩ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের সম্ভব্য ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার তিনশ' চার কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালের মধ্যে। 

রোববার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে চুক্তি সই শেষে এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম। 

যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর সড়কে চাপ কমাতে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপির উদ্যোগে ২০১৫ সালে গ্রহণ করা হয়েছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সংযোগ চার লেনের সড়কটি। 

কিন্তু নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিলো সড়ক বাস্তবায়নের কাজ। অবশেষে অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। চুক্তি হলো কনসোর্টিয়াম অব চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ (সিসিসিসিএল) ও চায়না রোড এ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের (সিআরবিসি) সাথে। 

সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সড়কটি শুরু হবে রামপুরা সেতুর কাছ থেকে। আমুলিয়া হয়ে এর এক মাথা যাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাং রোড মোড়ে। 

আরও পড়ুন: দেশের ৮০ ভাগ মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরেক মাথা গিয়ে মিলবে নারায়ণগঞ্জের তারাবো ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। সড়কটির দৈর্ঘ্য হবে ১৩ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৯ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার উড়ালপথ। বাকি চার কিলোমিটার মাটিতে হবে।

সড়কের দুই পাশে স্থানীয়দের যাতায়াতের জন্য দুটি সার্ভিস রোডসহ রাস্তাটি হবে চার লেনের। প্রকল্পে চায়না কমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের কনসোর্টিয়াম দুই হাজার ৯৪ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ করবে এক হাজার ২০৯ কোটি টাকা। 

২০১৫ সালে রাস্তাটিকে দুই পাশে সার্ভিস রোডসহ চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ প্রকল্পের বিনিয়োগকারী ঠিকাদার নির্বাচন করতে ২০১৮ সালের নভেম্বরে মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। 

সে খানে তিনটি প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি একটি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলে আপত্তি জানায় অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো। শুরু হয় ঠিকাদার নিয়োগে জটিলতা। 

এরপর একটি প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সওজকে ৪৫ দিন সময় বেঁধে দেয়। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন