ঢাকা ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১৬ মাঘ ১৪২৮

কারাগারে ফাঁসির আসামির হাতে মোবাইল, তদন্তে কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, গাজীপুর
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:১২:০০ আপডেট: ০৯ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:৩৫:০৯
কারাগারে ফাঁসির আসামির হাতে মোবাইল, তদন্তে কমিটি

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বহুল আলোচিত সাত খুনের মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি নারায়ণগঞ্জের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেনের কাছে মোবাইল পাওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে মাসের পর মাস ধরেও কারাগারের গেটে এসেও স্বজনদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন দূর-দূরান্তের লোকজন।

অথচ ফাঁসির কনডেম সেল থেকেই নূর হোসেন মোবাইল ফোনে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়েছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়ছে।

এমন বাস্তবতায় লোকজনের মধ্যে কারাগারের হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির মতো দুর্ধর্ষ অপরাধীদের নানা অপতৎপরতা নিয়ে ক্ষোভ আর নানা প্রশ্ন জেগে উঠছে।

খুনি নূর হোসেনের মোবাইল ফোন ব্যবহারের খবর উর্ধ্বতন কারা কর্তৃপক্ষের কানে গেলে গত ৫ জানুয়ারি কনডেম সেলে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি মিনি বাটন মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: সাবেক ওসি প্রদীপের রাষ্ট্রীয় পদক বাতিল চায় রাষ্ট্রপক্ষ

এরপরই ডান্ডাবেরি লাগানো হয় তাকে। কিভাবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও এমন সুরক্ষিত জায়গায় মোবাইল ফোন গেল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।

নূর হোসেনের কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধারের পরে কারাগারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক উম্মে সালমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির  অপর সদস্যরা হলেন, প্রধান কারারক্ষী আসাদুর রহমান ও সদস্য সচিব ডেপুটি জেলার নুরুল মবিন। এই কমিটিকে ১১ জানুয়ারির মধ্যে  তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে কাশিমপুর কারাগারে বন্দী হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ বিধি লঙ্ঘন করে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন।

কারাগারের ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) ক্যামেরায় ওই চিত্র ধরা পড়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায় ওই ঘটনার।

একশ্রনির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারির জোগসাজোসে একের পর এক অবাক করা এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে চলছে বলেই দাবি সংশ্লিষ্টদের।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন