ঢাকা ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকীয় খেতাব হারালেন ব্রিটিশ প্রিন্স

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:৫৬:০৫ আপডেট: ১৪ জানুয়ারী ২০২২ ২১:১৬:১১
যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকীয় খেতাব হারালেন ব্রিটিশ প্রিন্স

যৌন হয়রানির অভিযোগে এবার রাজকীয় ও সামরিক খেতাব হারালেন রানি এলিজাবেথের ছোট ছেলে প্রিন্স অ্যান্ড্রু।

অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হলেও একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য রানির সম্মতিতে ডিউক অব ইয়র্কের পদবি কেড়ে নেয়া হয়েছে।

বাকিংহাম প্যালেসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পদবি না থাকায় পরবর্তী নির্দেশনার আগ পর্যন্ত অ্যান্ড্রু 'হিজ রয়্যাল হাইনেস' খেতাব ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকি কোনো ধরনের সরকারি কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারবেন না তিনি।


এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মার্কিন ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের ম্যানহাটনের বিলাসবহুল বাড়িতে ২০০১ সালে ভার্জিনিয়া জিওফ্রে নামের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অ্যান্ড্রু যৌন হয়রানি করেছিলেন।

আরও পড়ুন: দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উ. কোরিয়া

এপস্টাইনের মদতে অ্যান্ড্রু একাধিকবার তাকে যৌন হেনস্থা করেন বলে অভিযোগে দাবি করেছেন ভার্জিনিয়া।

এছাড়া লন্ডনে এপস্টাইনের সহকারীর বাড়িতেও জোর করে অ্যান্ড্রু ভার্জিনিয়ার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।


সম্প্রতি এ ঘটনায় মামলা হওয়ায় শিগগিরই মার্কিন আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন অ্যান্ড্রু। চলতি বছরের শেষ নাগাদ নিউইয়র্কের আদালতে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এদিকে মামলার বিষয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চলমান আইনি বিষয়ে তারা কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

সাধারণ নাগরিক হিসেবেই অ্যান্ড্রু ওই মামলার মুখোমুখি হবেন বলেও জানায় বাকিংহাম প্যালেস। এদিকে খুব শিগগিরই এ পদে রাজপরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথ এবং প্রিন্স ফিলিপ দম্পতির তৃতীয় সন্তান ৬১ বছর বয়সী প্রিন্স অ্যান্ড্রু। ফকল্যান্ড যুদ্ধসহ বেশকয়েকটি যুদ্ধে তিনি ব্রিটেনের পক্ষে নেতৃত্ব দেন।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন