ঢাকা ২২ জানুয়ারী ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮

বাসচালক ও কর্মীদের টিকা সনদ রাখা নিয়ে দ্বিমত

মনির মিল্লাত, একাত্তর
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৫:০৫:১০ আপডেট: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৫:৩৬:১৯
বাসচালক ও কর্মীদের টিকা সনদ রাখা নিয়ে দ্বিমত

করোনা মহামারীতে ওমিক্রন ধরনের বাড়-বাড়ন্তের পরিপেক্ষিতে, চলতি পথে বাসের চালক ও হেলপারদের করোনার টিকা সনদ রাখার বাধ্যবাধকতা শিগগিরই কার্যকর হচ্ছে। 

কিন্তু পরিবহন শ্রমিকদের বড় একটা অংশ এখনও করোনার টিকার আওতায় আসেনি। তাই দেশের টার্মিনালগুলোতে টিকার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঝটিকা কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবহন শ্রমিকদের টিকার আওতায় আনা না গেলে, টিকা সনদ রাখার বাধ্যবাধকতা কার্যকর করা যাবে না। 

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের পরিবহন শ্রমিক গরিব হোসেন। এরিমধ্যে তিনি জেনেছেন গাড়ি চালাতে হলে চালক ও হেলপারদেরকে করোনার টিকা সনদ সাথে রাখতে হবে। 

তাই নিজের টিকা সনদটি সাথেই রেখেছেন। টার্মিনালে এমন অনেক শ্রমিককে পাওয়া গেলো যারা করোনার দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন। আবার টিকা সনদও সাথে রাখছেন।   

কিন্তু এই শ্রমিকদের বড় একটা অংশ এখনও এক ডোজ টিকাও পাননি। অসচেতনতা যেমন আছে, তেমনি সুযোগ-সুবিধার অভাবও আছে। 

পথে আর টার্মিনালেই যাদের দিনরাত কাটে তাদের অনলাইন নিবন্ধন করে টিকা নিতে যাবার সময় ও বাস্তবতা কোথায়, এমন যৌক্তিক প্রশ্ন এসেই যায়।

তাই পরিবহন শ্রমিকদের জন্য টার্মিনালগুলোতেই টিকার ব্যবস্থা করার অনুরোধ তাদের। তারাও চান টিকা নিয়ে নিজে এবং আশপাশে সবাইকে সুরক্ষিত রাখতে। 

তারা জানান, করোনা সংক্রমণের বিপদ সম্পর্কে এখন তারা অনেকটাই জানেন। এর ঝুঁকি সম্পর্কে কমবেশি জানা হয়েছে গেছে। তাই তারা টিকা নিতে চান। 

শ্রমিকদের এমন প্রস্তাবে একমত জানালেন  বিশেষজ্ঞরাও। তারা বলছেন টার্মিনালগুলোতেই টিকার ঝটিকা অভিযান চালানো হোক। যাতে তারা সহজেই টিকা পেতে পারেন।   

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সদস্য ইকবাল আর্সনাল মনে করেন, শ্রমিকদের বেশিরভাগ টিকার আওতায় না এলে, সদন রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিৎ হবে না। 

এদিকে, চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত না এলেও শনিবার থেকে ‘যতো সিট ততো যাত্রী’ নিয়ে বাস চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। 

আরও পড়ুন: বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাসে শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে। তবে কোনোভাবেই বাসে দাঁড়ানো যাত্রী বহন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

তবে ট্রেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পরিবহন শুরু হয়েছে। আর সব ধরনের পরিবহনে মাস্ক পরা নিয়ে মানুষের মধ্যে খানিকটা সচেতনতা বেড়েছে বলে সরেজমিনে দেখা গেছে।  


একাত্তর/আরবিএস   

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন