ঢাকা ২২ জানুয়ারী ২০২২, ৮ মাঘ ১৪২৮

এক বছরে ৪০ কোটি ডলার হাতিয়ে নিয়েছে উ. কোরিয়ার হ্যাকাররা

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৫:৪০:৩৩ আপডেট: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৫:৫১:২২
এক বছরে ৪০ কোটি ডলার হাতিয়ে নিয়েছে উ. কোরিয়ার হ্যাকাররা

২০২১ সালে দুনিয়াব্যাপী অন্তত সাতটি বড় ধরণের সাইবার হামলা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা। এসব হামলা থেকে তারা প্রায় ৪০ কোটি ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান চেইন্যালাইসিসের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানায়। 

বিবিসি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রিভূত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাতেই মূলত সাইবার হামলা চালায় হ্যাকাররা। এর জন্য তারা ফিশিং, ম্যালওয়্যার এবং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ তারা উত্তর কোরিয়া নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছে।

চেইন্যালাইসিসের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার বেশিরভাগই করেছে 'ল্যাজারাস' নামের একটি গ্রুপ'। এই গ্রুপটি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। 

এর আগেও সনি পিকচার্স হ্যাকসহ বিভিন্ন হ্যাকিংয়ের ঘটনায় তাদের নাম সামনে এসেছে। এই গ্রুপটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

আরও পড়ুন: ভারতে একদিনে আক্রান্ত আড়াই লাখের বেশি, ৪০২ জনের মৃত্যু

চেইন্যালাইসিস আরও জানায়, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত, কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হ্যাকের সংখ্যা চার থেকে সাত হয়েছে। একইসঙ্গে সাইবার হামলা থেকে পাওয়া অর্থ প্রায় ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে।  

যদিও উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিবারই বলা হয়েছে, দেশটির হ্যাকাররা এসব হামলার সাথে জড়িত নয় এবং কিম সরকারও হ্যাকার গ্রুপগুলোর সম্পর্কযুক্ত নয়। 

ক্রিপ্টোকারেন্সি বা গুপ্তমুদ্রা হলো এক ধরণের ভার্চুয়াল টাকা। যার অস্তিত্ব শুধুমাত্র ইন্টারনেট জগতেই বিদ্যমান। এই ভার্চুয়াল টাকা ব্যবহার করে অনলাইনে সকল ধরণের কেনাকাটা করা সম্ভব। প্লেন থেকে বার্গার কিংবা বই, সবই কেনা যায় ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে। ২০১৭ সাল থেকে এটি একটি উঠতি বাজারে পরিণত হয়েছে।

বিশ্বের বহুদেশে অনলাইন বিকিকিনির জন্য এই টাকা বেশ জনপ্রিয়। উইকিপিডিয়া, ওয়ার্ডপ্রেস, মাইক্রোসফটের মত প্রায় ৩০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান এই ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণ করে।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন