ঢাকা ০৩ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯

ভোটের উৎসবে যত বিপত্তি ইভিএমের ধীরগতিতে

নয়ন আদিত্য, একাত্তর
প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ২০:২২:৫৩ আপডেট: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ২৩:১২:৫৭
ভোটের উৎসবে যত বিপত্তি ইভিএমের ধীরগতিতে

নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর নির্বাচনে খানিকটা বিপত্তি বাধিয়েছে ইভিএম। ভোটিং মেশিনে ধীরগতির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে ক্লান্ত হতে হয়েছে বহু ভোটারকে।

তাই ভোট শেষ হবার নির্ধারিত সময় বিকাল চারটার পরও কোনো কোনো কেন্দ্রে ছিলো মানুষের দীর্ঘ লাইন। লাইনে থাকা সব মানুষেরই ভোট নেয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল আটটা ৫০ মিনিট। নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কদম রসুল কলেজ। যা ছিলো নারী ভোটারদের কেন্দ্র। ৩৩৮৭ ভোটার ছিলো সেই কেন্দ্রে।

দোতলায় উঠতেই একাত্তর প্রতিবেদকের কানে আসে হৈচৈ শব্দ। ভোট কক্ষের সামনে অপেক্ষমাণ ৩০ থেকে ৪০ জন নারী। যারা সকাল আটটা থেকেই অপেক্ষায়।

কিন্তু কেউ জানেন না তার ভোট কক্ষ কোনটি। দোতালায় গেলে পাঠানো হয় তিন তলায়। আবার তিনতলা থেকে ফেরত পাঠানো হয় দোতালায়।

এমন অনেক ভোটারই বুঝতে পারছিলেন না, কোনটি তাদের কক্ষ কোনটি নয়। দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরাও হিমশিম খাচ্ছিলেন ভোটারদের সামাল দিতে।

ভোগান্তির শিকার একাধিক নারী বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই কেন্দ্র ছেড়ে চলে যান। এমন চিত্র নারায়ণগঞ্জের আরো কয়েকটি কেন্দ্রে দেখা গেছে।

ভোটিং মেশিনের ফিঙ্গার স্ক্যানও কাজ করেছে ধীরে। অনেক ক্ষেত্রে মিলছিল না আঙ্গুলের ছাপ। তবে যাদের আঙুলের ছাপ মেলেনি তাদের সহায়তা করেছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।

এরিমধ্যে এক কেন্দ্রের ইভিএম মেশিন নষ্ট হয়ে যায়। পরে সেটি পরিবর্তন করা হয়। আর এ কারণে এই কেন্দ্রের সামনে ভোটারের অপেক্ষা আরো বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: নৌকার আইভী আবারো নারায়ণগঞ্জ সিটির মেয়র

রোববার বিকেল তিনটা পর্যন্ত বন্দর এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায় ৩০ শতাংশের নিচে ভোট পরেছে। তখনও লাইনে শত শত ভোটারের অপেক্ষা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার দাবি করেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ভোট গ্রহণের ধীরগতির বিষটিকে সাময়িক। কেন্দ্রে যারা এসেছেন তাদের সবার ভোট নেয়া হয়েছে।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

২ দিন ১ ঘন্টা আগে