ঢাকা ১৮ মে ২০২২, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

প্রশাসনিক ও ইভিএম কারচুপিতে পরাজয়: তৈমূর

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ২১:৫৬:৫৫ আপডেট: ১৬ জানুয়ারী ২০২২ ২২:০৯:০৯
প্রশাসনিক ও ইভিএম কারচুপিতে পরাজয়: তৈমূর

আইভীকে লক্ষাধিক ভোটের হারানোর প্রত্যাশা ছিলো কিন্তু উল্টে যাওয়া ফলে পরাজয়ের দুই কারণের কথা বললেন তৈমূর আলম খন্দকার। ‘প্রশাসনিক ও ইভিএমের কারচুপির কারণে’ তাকে ভোটে হারতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই বিএনপি নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা। 

তবে বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়েছেন বলেও জানান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাতি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে ফল ঘোষণা চলার মধ্যেই সন্ধ্যায় মাসদাইরে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর আলম বলেন, প্রশাসনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইভিএমের কারচুপির জন্য তাকে এ পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। এ পরাজয়কে পরাজয় মনে করেন না তিনি। এসময় জনগণকে ও মিডিয়াকে ধন্যবাদ জানান তিনি। 

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের উপস্থিতি স্বতঃস্ফূর্ত ছিল। তারা ভোটটা দিতে পারেনি। মেশিনটা স্লো। ভেতরে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে; না হলে এত ডিফারেন্স হতে পারে না।’

ভোটে অংশ নিয়ে তাকে সরকারের সঙ্গে ‘খেলতে’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা খেলা হয়েছে সরকার ভার্সাস জনগণ, সরকার ভার্সাস তৈমুর আলম খন্দকার।’

আরও পড়ুন: তৈমূরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া কাজও করবেন আইভী

ভোটের আগের-পরের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তৈমূর বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আমার জন্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন; পুলিশের আচরণ।’

গ্রেপ্তার-হয়রানির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে যারা ব্যস্ত ছিলেন, তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে আওয়ামী লীগের লোক আসার পর থেকে গ্রেপ্তার করা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় একজন মানুষ স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে কিভাবে ঠিক থাকতে পারে?’

অপেক্ষা শেষ, রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জে ভোট

প্রসঙ্গত, বিএনপি আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পরও এই নির্বাচনে তৈমূর স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও দলের স্থানীয় নেতারা তার সঙ্গেই ছিলেন। তবে এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যপদ হারাতে হয় তাকে।

এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তৈমূর আলমের খন্দকারের পদ-পদবি লাগে না। বিএনপি রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে। এটা নিয়ে মরতে চাই।’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে তৈমূর আলম খন্দকার প্রার্থী হলেও সেবার দলীয় সিদ্ধান্তে ভোটের আগেরদিন তাকে সরে যেতে হয়েছিল। ২০১৬ সালে পরের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী করেছিল সাখাওয়াত হোসেনকে।


একাত্তর/জো

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন