ঢাকা ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

এবারও সার্চ কমিটির মাধ্যমে ইসি চায় আওয়ামী লীগ

অহিদুল ইসলাম, একাত্তরে
প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারী ২০২২ ১৮:৪২:৫৩ আপডেট: ১৭ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:৫৭:৪০
এবারও সার্চ কমিটির মাধ্যমে ইসি চায় আওয়ামী লীগ

গত দুই মেয়াদের মতো এবারও সার্চকমিটির মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্যরাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করেছে আওয়ামী লীগ।

একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনগঠনে, সোমবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে চলমান সংলাপে অংশ নিয়ে এমনমতই জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপেআওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন দলটির সভানেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা।

পরে সংলাপের বিষয়ে সাংবাদিকদেরসঙ্গে কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সরকার এরই মধ্যে নির্বাচনকমিশন গঠনের আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনেই এটি পাশ হয়েযেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আইন পাশ হয়ে গেলেসেই আইন অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগ হবে। আওয়ামীলীগ চায় আইন অনুযায়ী ইসি গঠন হোক।


ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সাথেনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপের শেষভাগে ১৭তম দিনে বঙ্গভবনের দরবার হলেআওয়ামী লীগের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের ১০ সদস্যেরপ্রতিনিধি দলটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুলকরিম সেলিম, ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীরকবির নানক ও আব্দুর রহমান।

একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপে বসতেরাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগসহ মোট ৩২টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানান।

২০ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রপতি হামিদ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিরসাথে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে চলমান এই সংলাপ শুরু করেন।

বিএনপিসহ মোট সাতটি রাজনৈতিক দলএই সংলাপে অংশ নেয়নি। এর আগে, নবম,দশম ও একাদ্বশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোরঅংশগ্রহণে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: দৈনিক শনাক্ত সাড়ে ছয় হাজারের বেশি, হার ২০ শতাংশ পার

সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধাননির্বাচন কমিশনার ও চার জনের বেশি নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা প্রদানকরা হয়েছে।

বিগত কয়েক মেয়াদে রাষ্ট্রপতিসার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারিবর্তমান নির্বাচন কমিশনের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে।


এই সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতিএকটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন- যার অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনঅনুষ্ঠিত হবে।

একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন