ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

রোববার সংসদে উঠছে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জানুয়ারী ২০২২ ১৪:৩৬:২০ আপডেট: ২২ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:৩৩:৩৬
রোববার সংসদে উঠছে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে বহুল আলোচিত খসড়া আইনটি রোববার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে উঠছে। আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’ সংসদে উত্থাপন করবেন। বিলটি সংসদে তোলার জন্য ওই দিনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদের রোববারের দিনের কর্সসূচি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) এই সূচিটি প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়।

সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য বিলটি আনা হচ্ছে।

এর আগে গত সোমবার (১৭ জানুয়ারি) এ আইনটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। সেদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের জন্য একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। সেটা মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বয়স কমপক্ষে ৫০ বছর হতে হবে। একইসঙ্গে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি বা বিচার বিভাগীয় পদে কমপক্ষে ২০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। তার আগেই নতুন কমিশন গঠন করতে হবে রাষ্ট্রপতিকে।

সেক্ষেত্রে আইনটি সংসদে তোলা থেকে পাস করে গেজেট প্রকাশের জন্য হাতে সময় রয়েছে চার সপ্তাহ। 

বাংলাদেশের সংবিধানে বলা আছে, সাংবিধানিক সংস্থা ইসিতে কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির। আর তা একটি আইনের অধীনে হবে।

কিন্তু সেই আইন না হওয়ায় প্রতিবারই ইসি গঠনের সময় শুরু হয় বিতর্ক। তা এড়াতে ২০১২ সালে নিয়োগের সময় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান সার্চ কমিটি নামে একটি মধ্যস্থ ফোরাম তৈরি করেন।

এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একজন বিচারপতির নেতৃত্বে বিশিষ্ট কয়েকজন নাগরিকদের নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করেন। ওই সার্চ কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশনার হতে যোগ্যদের নামের একটি তালিকা তৈরি করেন। সেই তালিকা থেকে একজন সিইসিসহ অনধিক পাঁচজন কমিশনার নিয়োগ দেন।

আরও পড়ুন: আজ আবারও পরীমনি-রাজের বিয়ে

মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতির পদে আসার পর ২০১৭ সালে জিল্লুর রহমানের সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সংলাপে অংশ নেওয়া ২৫টি দলের প্রায় সবই ইসি গঠন নিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আইন প্রণয়নের ওপরই জোর দেয়। আলোচনায় রাষ্ট্রপতিও এবিষয়ে সম্মত হন বলে দলগুলোর নেতারা জানান। বিএনপিসহ সাতটি দল অবশ্য সংলাপে অংশ নেয়নি।

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল এবার আইনটি করা সম্ভব হবে না।


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৪ দিন ১৬ ঘন্টা আগে