ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

শাবি শিক্ষার্থীদের আলোচনার টেবিলে চান শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ২২ জানুয়ারী ২০২২ ২১:৩৮:৫০ আপডেট: ২২ জানুয়ারী ২০২২ ২২:১২:২৮
শাবি শিক্ষার্থীদের আলোচনার টেবিলে চান শিক্ষামন্ত্রী

আলোচনাই সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীরা অনশন থেকে সরে এসে আলোচনায় বসুক। আমি তাদের আলোচনায় চাই। তারা চাইলে অনশনরত অবস্থাতেও আলোচনায় বসতে পারেন

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর হেয়ার রোডে বাসা থেকে শাবি শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, শাবিতে পুলিশি আচরণ (অ্যাকশন) দুঃখজনক। কিন্তু শিক্ষকদেরও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। দুটোই অনভিপ্রেত।

এর আগে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের বাসায় এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে শাবিপ্রবির পাঁচজন শিক্ষক উপস্থিত হন।

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় ঢাকায় শাবির পাঁচ শিক্ষক

বৈঠকে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী সাহার নেতৃত্বে পাঁচজন শিক্ষক ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শাবিপ্রবির প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুহিবুল আলম, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন মো. রাশেদ তালুকদার, অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অনুষদের ডিন আরিফুল ইসলাম এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন খায়রুল ইসলাম।

অনির্দিষ্টকালের জন্য শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৩ জানুয়ারি। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী।

এর দু’দিন পর গত ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলার অভিযোগ ওঠে। পরের দিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ।

আরও পড়ুন: নোটিশ ছাড়াই পরীক্ষা স্থগিত, রাজধানীর সড়কে অবরোধ


ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে, শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

ওই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন নাগরিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৩ দিন ৩ ঘন্টা আগে