ঢাকা ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

নির্বাচন কমিশন আইনে দুটি পরিবর্তনের সুপারিশ

সৌমিত্র মজুমদার, একাত্তর
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:০৪:২৪ আপডেট: ২৪ জানুয়ারী ২০২২ ২০:০৫:৪৪
নির্বাচন কমিশন আইনে দুটি পরিবর্তনের সুপারিশ

নির্বাচন কমিশন গঠন আইনের বিলে সিইসি ও ইসি নিয়োগে যোগ্যতা ও অযোগ্যতার অংশে দুটি পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। 

সোমবার, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের একথা জানান। তিনি বলেন, এই বিল পাস করার জন্য সরকারের কোনো তাড়াহুড়ো নেই।

এছাড়া, নতুন এই আইনের মাধ্যমে আগের দুই নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেয়া হচ্ছে, বিএনপির এমন অভিযোগও নাকচ করে দেন তিনি। 

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সংসদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। রীতি অনুযায়ী সেই বিলটি এখন স্থায়ী কমিটির পর্যবেক্ষণের টেবিলে রয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার সংসদ ভবনের আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিলটি নিয়ে আলোচনা শেষে তৈরি হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন। 

আরও পড়ুন: ইসি আইন ইস্যুতে বিএনপির সমালোচনায় হানিফ

বিলে সিইসি ও ইসি যোগ্যতা সংক্রান্ত ধারায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা সরকারি বা বেসরকারি পদের পাশাপাশি স্বায়ত্বশাসিত ও অন্যান্য পেশায় কমপক্ষে ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সিইসি ও কমিশনারদের অযোগ্যতার ক্ষেত্রে দুই বছরের কারাদণ্ড তুলে দিয়ে শুধু কারাদণ্ডের সুপারিশ করেছে কমিটি। 

তবে, এতেও খুশি নন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা। বৈঠক থেকে বেরিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, নতুন এই বিলে আগের দুই কমিশনের সব কর্মকাণ্ডকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে সংসদে আলোচনা চান বিএনপির সংসদ সদস্য।

তবে, দায়মুক্তির বিষয়টি নাকচ করে দেন আইনমন্ত্রী। এছাড়া বিশেষ পর্যবেক্ষণে আইনটির কিছু ধারায় পরিবর্তন আসছে বলে ইঙ্গিত দিলেও, সেই ধারা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

আনিসুল হক বলেন, কিছু পরিবর্তন আসছে যেটা এখন বলব না। তার কারণ হচ্ছে এটা জানার সবচেয়ে আগে অধিকার আছে সংসদ সদস্যদের। যখন আমি এটা হাউসে উত্থাপন করবো তখন সেইটা কী সংশোধন হবে সেখানেই সাব্যস্ত হবে।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, যখনই আইনটি ক্যাবিনেটে পাস হয়েছে তাৎক্ষণিক ল লেজিসলেটিভ বিভাগের ওয়েব সাইটে দেয়া হয়েছে। আর এটা নিয়ে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। আমি তো বুঝলাম না এখানে গোপনীয়তা কী, আর আমরা এতো বোকা না, এই আইনটা গোপন করে আমাদের কী লাভ।    

বৈঠক শেষে সংসদীয় কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘কমিটি বিস্তারিত আলোচনা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে। আমরা যোগ্যতা ও অযোগ্যতার  জায়গায় কিছু পরিবর্তন এনেছি। সেভাবেই সংসদে প্রতিবেদন দেয়া হবে।’


একাত্তর/এআর


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন