ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

কর্মী নিতে আবারো সেই সিন্ডিকেটই চাইছে মালয়েশিয়া

ঝুমুর বারী, একাত্তর
প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারী ২০২২ ২০:০৪:৫৩
কর্মী নিতে আবারো সেই সিন্ডিকেটই চাইছে মালয়েশিয়া

যেই সিন্ডিকেটের অজুহাত দেখিয়ে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া স্থগিত করেছিলো, আবারো সেই সিন্ডিকেট চাইছে মালয়েশিয়া। 

আর বিষয়টিকে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে জানিয়েছে রিক্রুটিং এজেন্সি ঐক্য পরিষদ। অবশ্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলছেন, বাংলাদেশে কোন সিন্ডিকেট হতে দেয়া হবে না। 

কয়েক বছরের বিরতির পর গেল বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। 

আরও পড়ুন: ইসি আইন ইস্যুতে বিএনপির সমালোচনায় হানিফ

যেখানে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীর সব খরচ বহন করবে, এমন শর্তে একমত হয় দুই দেশ। কিন্তু ১৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায় বাংলাদেশের ২৫টি এজেন্সি এবং তাদের সহকারি ২৫০টি এজেন্সি কেবল কর্মী পাঠাতে পারবে। 

এর বিরোধিতা করে দেশের এজেন্সিগুলো বলছে, সক্ষমতা থাকার পরও বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করতেই এমন সিন্ডিকেট গড়ছে মালয়েশিয়া। 

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে রিক্রুটিং এজেন্সি ঐক্য পরিষদ টিপু সুলতান বলেন, মালয়েশিয়ার সিদ্ধান্ত চরম অবমাননাকর।

তিনি বলেন, একটি রিক্রুটিং এজেন্সি অন্য একটি সমমানের রিক্রুটিং এজেন্সির সাব-এজেন্ট কোনো অবস্থায়ই হতে পারে না।

তিনি অভিযোগ করেন, চুক্তি সইয়ের সময় ২০১৬ সালে যে সিন্ডিকেটচক্র কর্মীদের অর্থ লুট করেছে, সেই চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে চুক্তিতে একটি শর্ত জুড়ে দেয়। 

আর তা হলো বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করার ক্ষমতা মালয়েশিয়া সরকারের হাতে রাখা। এতে করে আবারও সেই পুরনো সিন্ডিকেট হবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

মালয়েশিয়ার চিঠির জবাবে বাংলাদেশ জানিয়েছে, আইএলও কনভেনশন এবং বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্টের আইন অনুযায়ী কোন সিন্ডিকেট হবে না। 

২০১৭ সালে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয় ১০টি এজেন্সির একটি জোট গড়ে ওঠে। যাদের কারণে বেড়ে যায় অভিবাসন ব্যয়। এরপর স্থগিত হয়েছিলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। 


একাত্তর/এআর


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন