ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরে বাংলাদেশকে পুতিনের শুভেচ্ছা বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৯:২৪:৩৭ আপডেট: ২৫ জানুয়ারী ২০২২ ২০:৫৪:৫৩
কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরে বাংলাদেশকে পুতিনের শুভেচ্ছা বার্তা

২৫ জানুয়ারি ঢাকা ও মস্কো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

ঢাকায় রুশ দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের শুভেচ্ছা বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে। 

শুভেচ্ছাবার্তায় রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি পুতিন বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশতম বার্ষিকীতে আমার আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করুন। আজ মস্কো ও ঢাকার মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্কের অর্ধশতাব্দী পূর্ণ হল। আমি বিশ্বাসী করি যে যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে পারবো। একই সাথে সামনের দিনগুলোতে রাশিয়া ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার হয়ে উঠবে বলে আমি আশাবাদী।  আমি আন্তরিকভাবে বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।


এদিকে ঢাকা ও মস্কো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ঢাকায় প্রাপ্ত রুশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, আমাদের সম্পর্কের এই মাইলফলক বার্ষিকীতে আমাদের বাংলাদেশি বন্ধুদের অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের উভয় দেশ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ ছিল, এর ভিত্তি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়েছিল যখন (তৎকালীন) ইউএসএসআর বাংলাদেশের জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামকে সমর্থন করেছিল এবং নতুন রাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর অন্যতম ছিল।

জাখারোভা বলেন, বাংলাদেশিরা সোভিয়েত সামরিক নাবিকদের কৃতিত্বের কথা স্মরণ রেখেছে, যারা ১৯৭২-১৯৭৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন ও ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার করে বন্দর পরিষ্কার করেছিল। তিনি বলেন, আজ আমাদের উভয় দেশ একটি সক্রিয় রাজনৈতিক সংলাপ বজায় রেখেছে, যা সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বছরে ২.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। তিনি লক্ষ্য করেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিষয়ক কমিশনের প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসহ বড় বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প চলমান রয়েছে।


একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন