ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

জেমস ওয়েব কাজ করবে ২০ বছর: লামীয়া মওলা

রাকিব হাসান, একাত্তর
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারী ২০২২ ২২:১৭:২০
জেমস ওয়েব কাজ করবে ২০ বছর: লামীয়া মওলা

অবশেষে সমস্ত ভাঁজ খুলে পূর্ণ আকার ধারণ করলো সর্বকালের সবচেয়ে শক্তিশালী নভোদুরবিন জেমস ওয়েবস্পেস টেলিস্কোপ। সেটি পৌঁছে গেছে তার কাঙ্খিত গন্তব্যে। 

যেখান থেকে প্রতিনিয়ত এ মহাবিশ্ব সৃষ্টির তথ্য পাঠাবে এটি। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছেন এই প্রকল্পে যুক্ত একমাত্র বাংলাদেশি জ্যোতিপদার্থবিদ লামীয়া মওলা। 

একাত্তরকে তিনি জানালেন, পাঁচ বছর নয় বরং বিশ বছর পর্যন্ত কাজ করবে টেলিস্কোপটি। বের করে আনবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য। 

২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর। বিশ্বের তিনটি মহাকাশ গবেষণা সংস্থার হাজারেরও বেশী মেধা আর ৩০ বছরের শ্রমকে কাঁধে নিয়ে উড়াল দেয় জেমসওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 

এরপর টানা একমাস ধরে অবিরাম ছুটে চলা। এরইমধ্যে পাঁচটি ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্টের দ্বিতীয়টি, এল-টুর পরিমন্ডলে পৌঁছে গেছে। 

নিজের সবভাঁজ খুলে পৃথিবীর সাথে সমান্তরালে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার জন্য প্রস্তুত টেলিস্কোপটি। পৃথিবী থেকে চাঁদের যা দূরত্ব, তার চেয়েও প্রায় চার গুণ দূরে অবস্থান করবে জেমস।

প্রকল্পটির সাথে যুক্ত একমাত্র বাংলাদেশী জ্যোতিপদার্থবিদ লামীয়া মওলা এখন বাংলাদেশে। ঢাকায় পা রেখেই একাত্তরকে জানালেন সবশেষ তথ্য। 


জেমস ওয়েব প্রকল্পের কানাডিয়ান টিমের এই সদস্য জানান, সব চলছে পরিকল্পনা মোতাবেক। ২০ বছর পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করবে জেমস।

অবলোহিত আলোতে ছবি তুলবে এই টেলিস্কোপ। যে আলোয় আমরা দেখি তার চেয়ে আরো বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এই আলো। সেই আলোতে ধুলোকনা পর্যন্ত দেখা যাবে স্পষ্টভাবে। 

আরও পড়ুন: ময়লার গা‌ড়ি‌তে মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ, সামা‌জিক মাধ্যমে তোলপাড়

ভেতরে আছে ১৮টি আয়না। যেগুলোর সমন্বয় করা হবে সূর্যকে প্রদক্ষিনণে। এই প্রযুক্তি আবার কাজে লাগছে চিকিৎসা বিজ্ঞানেও।

লামীয়া মওলার মতো সৌরজগতের রহস্য নিয়ে কাজ করতে চায় দেশের অনেক তরুণ। কিভাবে সম্ভব, এমন প্রশ্নে লামীয়ার সোজা জবাব, সেপথ তৈরিতে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকেই।

তবে সৌররহস্য নিয়ে অনলাইনেই বিভিন্ন কোর্সের সুযোগ শিক্ষার্থীরা নিতে পারেন বলে জানান জ্যোতিপদার্থবিদ লামীয়া মওলা। 


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন