ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

এবার আসছে নিওকভ, প্রতি তিনে একজনের মৃত্যু!

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারী ২০২২ ২২:৪৯:১৪ আপডেট: ২৯ জানুয়ারী ২০২২ ১১:৫২:৩৭
এবার আসছে নিওকভ, প্রতি তিনে একজনের মৃত্যু!

করোনার অতিসংক্রামক ধরন ওমিক্রন আসার পর একটি কথা জোরেশোরে বলা উচ্চারিত হচ্ছিলো, এবার হয়তো ওমিক্রনের হাত ধরে করোনার মহামারী বিদায় নিতে চলেছে।

কিন্তু সেই আশায় গুড়ে বালি। রুশ সংবাদ সংস্থা স্পুটনিকের এক প্রতিবেদন বলছে, এবার ‘নিওকভ’ নামে করোনার নতুন একটি ধরন পাওয়া গেছে, যা রীতিমতো ভয়ংকর।

চীনের উহানে ২০১৯ সালে নতুন করোনা ভাইরাসের খোঁজ মিলেছিলো, তারই একটি ভ্যারিয়েন্ট হলো- নিওকভ। আর ভয়ংকর খবর- এটিতে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার দুটোই বেশি।

উহানের বিজ্ঞানীরাই এই ধরনের খবর জানিয়েছে, এরিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ, এটি সেখানকার বাদুড়ের মধ্যে ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে।

তাদের দাবি, এটি নাকি এখনও পর্যন্ত করোনার যতো রূপ পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এবং এটিতে আক্রান্ত প্রতি তিন জনের মধ্যে এক জনের মৃত্যু হচ্ছে।

তবে, স্পুটনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিওকভ ধরনটি নতুন নয়। মার্স ভাইরাসের সঙ্গে যুক্ত এই ভাইরাসটির ২০১২ ও ২০১৫ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: করোনাকালে দেশে সর্বোচ্চ শনাক্তের হারের রেকর্ড

করোনার সঙ্গে এই মার্সের উপসর্গগত বিশেষ পার্থক্য নেই। জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা এক্ষেত্রেও হয়। গত দশকে এই রোগের সংক্রমণে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়।

এই ভাইরাসটি সাধারণত মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটায় না। মূলত, পশুপাখির শরীরেই এর সংক্রমণ দেখা যেত। প্রথমে এই ভাইরাসটি বাদুড়ের শরীরে সংক্রমণ ঘটায়।

তবে উহান বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের গবেষকদের দাবি আর মাত্র একবার মিউটেশন হলেই এই ভাইরাসটি মানুষের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

সমস্যা হলো, এই ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রমণ শুরু করলে করোনার কোনো অ্যান্টিবডি বা কোনো ভ্যাকসিন সেটাকে রুখতে পারবে না।

চীনা বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই নতুন ভাইরাসের ধরনে মার্সের মারণ ক্ষমতা এবং এবং করোনার মতো সংক্রমণ ক্ষমতা থাকবে। যা এক কথায় রীতিমতো ভয়ঙ্কর।

আর রুশ গবেষকরা জানিয়েছেন, নিওকভ সম্পর্কে চীনা গবেষকদের তথ্য সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং এই ভাইরাসের সম্ভব্য সব ঝুঁকি নিয়ে আরও গবেষণা করার প্রয়োজন রয়েছে।


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন