ঢাকা ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯

শ্বাসরুদ্ধ জয় তুলে নিলো কুমিল্লা

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:৫৩:৫৮ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৮:৫৬:১৩
শ্বাসরুদ্ধ জয় তুলে নিলো কুমিল্লা

শ্বাসরুদ্ধ একটি ম্যাচ দেখলে মিরপুর। বিপিএলের অষ্টম আসরের ফাইনালে সাকিবের ফরচুন বরিশালকে এক রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। বিপিএলে এ নিয়ে তৃতীয় শিরোপা জিতল কুমিল্লা।

আগে ব্যাট করে কুমিল্লার সংগ্রহ ছিল ১৫১ রান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ২৩ বলে ৫৭ রান করেছিলেন সুনিল নারিন। বিপরীতে পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে থেমেছে বরিশালের ইনিংস। বল হাতেও ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানে ২ উইকেট নিয়ে কুমিল্লার জয়ের নায়ক সুনিল নারিন।

১৫১ রানের পুঁজি নিয়ে শুরুতেই মোস্তাফিজকে আক্রমণে আনে কুমিল্লা। পরের ওভারে শহীদুলের দ্বিতীয় বলে মুনিমের উইকেট হারায় বরিশাল। ৭ বল খেলে খালি হাতেই সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। শুরুর উইকেট হারানোর ধাক্কা সামাল দেন সৈকত আলী। শহিদুলের টানা তিন বলে তিন চার মেরে শুরু করেন নিজের ইনিংস। মোস্তাফিজের ওভারে তিন চারে নেন ১৪ রান। মূলত তার ব্যাটেই পাওয়ার প্লে থেকে বরিশাল পায় ৫১ রান। পাওয়ার প্লের পরের ওভারে  টানা দুই চারে ২৬ বলে ফিফটি করেন সৈকত।

সৈকত তাণ্ডব চালালেও শান্ত ছিলেন গেইল। শেষ পর্যন্ত তাকে রেখেই দলীয় ৭৯ রানে তানভীরের বাঁহাতি স্পিনে সাজঘরে ফেরেন সৈকত। ফেরার আগে করেন ৩৪ বলে ৫৮ রান। ১১তম ওভারে এসে মঈন আলীকে ছক্কা মেরে নিজের প্রথম বাউন্ডারি পান গেইল। তার দ্বিতীয় ছক্কা আসে তানভীরের বলে। দলীয় ১০৭ রানে এলবির ফাঁদে ফেলে গেইলকে থামায় নারিন। ফেরার আগে ৩১ বলে ৩৩ রান করেন গেইল।

গেইলের বিদায়ে ক্রিজে আসেন সাকিব। কিন্তু বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয়নি তার ইনিংস। মাত্র সাত রান করেই ফেরেন তিনি। এরপর ১৪ রানে সোহান, এক রানে ব্রাভো এবং ১২ রানে শান্ত আউট হলে চাপে পড়ে যায় বরিশাল।

এর আগে বিপিএলের এবারের আসরের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা। আগের ম্যাচের মতো আজও ব্যাট হেসেছে ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার সুনিল নারিনের। পাওয়ার প্লে’তে বরিশালের বোলারদের তুলোধুনো করে ২১ বলে তুলে নেন ফিফটি।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নারিনকে প্যাভিলিয়নে ফেরান মেহেদি হাসান রানা। ততক্ষণে নারিনের নামে পাশে যোগ হয়ে যায় ২৩ বলে ৫৭ রান। যার মধ্যে পাঁচটি করে চার ও ছক্কার মার ছিল।

তবে নারিন ফেরার পর, লিটন, ফাফ ডু প্লেসি, ইমরুল কায়েসরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। শেষে মঈন আলী হাল ধরেন আবু হায়দার রনিকে নিয়ে।

মঈন ব্যক্তিগত ৩৮ রানে রান আউন হন, আর রনি ১৯ রান করে শিকার হন শাফিকুল ইসলামের।


একাত্তর/এসি


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন