ঢাকা ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

করোনায় মৃত্যু হারের সঙ্গে রোদের যোগসূত্র পেলেন গবেষকেরা

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৯:২৯:৪৯ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৩১:২৬
করোনায় মৃত্যু হারের সঙ্গে রোদের যোগসূত্র পেলেন গবেষকেরা

রোদে বেশি সময় কাটালে করোনায় মৃত্যুর হার কমবে বলে দাবি করেছেন একদল গবেষক। তারা বলছেন, যেসব অঞ্চলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায় সেসব এলাকায় করোনায় মৃত্যুহার কম। অন্যদিকে যেখানে অতিবেগুনি ‘এ’ বা ‘ইউভি’ রশ্মি কম পৌঁছায় সেখানে মৃত্যুহার বেশি দেখা যাচ্ছে। 

যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এসব দাবি করেন। ব্রিটিশ জার্নাল অব ডার্মাটোলজিতে তাদের গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষক দল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার কাউন্টির কোথায় কতটা অতিবেগুনি রশ্মি থাকে সেটি খতিয়ে দেখেন। আর সেই সঙ্গে ওই সব কাউন্টিতে করোনার প্রকোপ কতটা, সেই পরিসংখ্যানও বিশ্লেষণ করেন তারা। আর সেই গবেষণা থেকেই তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়, যে সব অঞ্চলে সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিবেগুনি রশ্মি পৌঁছায়, সেখানে মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। 

ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ইতালিতেও একই রকম পরীক্ষা চালিয়ে একই ধরনের ফল পেয়েছেন গবেষকরা।

পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁরা দেখিয়েছেন, রোদে থাকা অতিবেগুনি যাঁদের গায়ে বেশি মাত্রায় পড়ে, তাঁরা করোনাকে দ্রুত সামলে নিতে পারেন। আর ইতালির রোগীদের উপর সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখিয়েছেন, একই ধরনের খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রার পরেও শুধুমাত্র রোদে আলাদা সময় থাকা অনুযায়ী মানুষের শরীরে বদলে যাচ্ছে করোনার প্রভাব।

রোদ সংক্রমণের হার কমাতে পারে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি গবেষকরা। বরং তাঁদের বক্তব্য, সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পরতেই হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। না হলে আরও বাড়বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন