ঢাকা ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ডনবাসে লড়াইয়ের কথা জানালেও যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কায় কিয়েভ

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২২ ১৪:৫৭:০৮ আপডেট: ১৪ মে ২০২২ ১৯:৩৮:৩৬
ডনবাসে লড়াইয়ের কথা জানালেও যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কায় কিয়েভ

ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে প্রতিরোধের মুখে পড়েছে রুশ সেনারা। তবে, শুরুর সময়ের চেয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের অবস্থা এখন অনেক বেশি খারাপ বলে স্বীকার করেছে কিয়েভ।  

ইউক্রেন পার্লামেন্টের সদস্য ওলেকসান্দ্রা উস্তিনোভা জানান, সোভিয়েত আমলের অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ জয় সম্ভব নয় বলে মন করছেন তারা। 

এদিকে, ন্যাটোতে যোগ দেয়ার উদ্যেগ নেয়ায় শনিবার থেকেই ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করে দিয়েছে রাশিয়া। সেই সঙ্গে সামরিক অভিযানের হুমকিও দিয়েছে। 

ডনবাস অঞ্চলে একটি পন্টুন সেতু এবং রুশ সেনাদের একটি সাঁজোয়া বহরের অংশ বিশেষ ধ্বংসের দাবি করেছে ইউক্রেন। রুশ সেনাদের ওই বহর একটি নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছিল।

শুক্রবার রুশ সেনাদের এই নদী পার ঠেকিয়ে দেওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। এতে কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার একটি নৌযানে আগুন জ্বলতেও দেখা গেছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে এমন সফলতা পেলেও যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা শুরুর সময়ের চেয়ে এখন ‘অনেক বেশি খারাপ’ বলে স্বীকার করেছেন কিয়েভ সরকার। 

এমনকি এ যুদ্ধে ইউক্রেনের না জেতার তিন কারণ ব্যাখ্যা করেছেন দেশটির সমাজকর্মী দারিয়া কালেনিয়ুক। 

তিনি বলেন, সোভিয়েত সরঞ্জাম দিয়ে আমরা এ যুদ্ধ জিততে পারব না। কারণ, রাশিয়ার এর চেয়ে অনেক বেশি সোভিয়েত সরঞ্জাম আছে। এই অস্ত্রের জন্য আমরা অন্য কোথাও থেকে গোলাবারুদ পাচ্ছি না। তিন. রাশিয়ার তুলনামূলক বেশি মানুষ ও সেনা আছে।

এখন আর সোভিয়েত আমলের মিগ যুদ্ধবিমানও চায় না ইউক্রেন। কারণ, যুদ্ধের ধরন বদলে গেছে। এর পরিবর্তে তিনি বলেন, রাশিয়াকে ঠেকাতে ইউক্রেনের দরকার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম, এফ-১৬–এর মতো যুদ্ধবিমান। 

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র এখন যেসব অস্ত্র পাঠাচ্ছে এসব ভারী অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনেক বেশি সময় নেয়ারও সমালোচনা করছে কিয়েভ।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মারিউপোল থেকে বিপুল সংখ্যক আহত যোদ্ধাকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে রাশিয়ার সাথে ‘খুব কঠিন’ আলোচনা চলছে। 

রাশিয়ার ইউক্রেনের বন্দর অবরোধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের ঝুঁকি রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ন্যাটোতে যোগ দেয়ার প্রস্তুতিতে কেন্দ্র করে শনিবার থেকে ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করছে রাশিয়া। 

এছাড়া, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বন্ধবী ও সাবেক স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।


একাত্তর/এআর


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন