ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

নিজ গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন না পিকে

অভিজিৎ মণ্ডল, পিরোজপুর
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২২ ১৯:০৪:৫৫ আপডেট: ১৫ মে ২০২২ ২০:০৩:১০
নিজ গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন না পিকে

আর্থিক কুকীর্তির প্রতীক হয়ে ওঠা পিকে হালদার ওরফে প্রশান্তকুমার হালদারের বিচার দাবি করেছেন তারই জন্ম ভিটা পিরোজপুরের নাজিরপুরের দিঘিরজান গ্রামেরবাসিন্দারা

প্রতিবেশিরা জানান, ২০০২ সালে গ্রামছাড়ার পর তিনি আর কোনদিন গ্রামে যাননি। গ্রামের কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি পিকেহালদার।

প্রশান্ত কুমার হালদারের বাবা প্রণবেন্দু হালদারের পেশায়দর্জি ছিলেন মালীলাবতী হালদার ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিন ভাইয়ের মধ্যে প্রশান্তছিলেন বড়

পিকে হালদারের বন্ধুরা জানান, স্কুলে মেধাবী ছিলেন তিনি আর্থিককষ্টের মধ্যেই লেখাপড়ার পর বুয়েটে ভর্তি হন গ্রামছেড়ে গেলেও কারও সঙ্গে তেমন যোগাযোগ ছিলো না

তাদের এক স্বজন জানান, সবশেষ প্রশান্তগ্রামে এসেছিলেন ২০০২ সালে এরপরমাকে নিয়ে চলে যান এরপরগ্রামের কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।

পৈত্রিক বাড়ি বিক্রি করায় অনেকে ক্ষোভও জানিয়েছিলেন তার আর্থিক কেলেঙ্কারির কথা জানার পরস্বজনেরা জানান, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিচার হওয়া উচিত।

এদিকে তার সহযোগী অবুন রায়ের বাড়িতে গিয়ে কথা বলার জন্যকাউকে পাওয়া যায়নি তালাদেয়া আছে ঘর তিনিকোথায় আছেন কেউ খোঁজ জানে না।

অন্যদিকে, পিকে হালদারের দেহরক্ষীর সঙ্গে মেয়েঅনিন্দিতার বিয়ে দিয়েছেন নাজিরপুর উপজেলার বাকসি গ্রামের সুকুমার মৃধা, যিনি পিকেরসব অপকর্মের সাক্ষী।



একাত্তর/এসএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৩ দিন ৩ ঘন্টা আগে