ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

মাঙ্কিপক্সে বেলজিয়ামে ২১ দিনের কোয়ারেন্টিন

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ মে ২০২২ ১৯:৫৪:০৩ আপডেট: ২২ মে ২০২২ ২০:১৩:৩৮
মাঙ্কিপক্সে বেলজিয়ামে ২১ দিনের কোয়ারেন্টিন

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে মাঙ্কিপক্স পজেটিভ ব্যক্তিদেরকে ২১ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে বেলজিয়াম। 

বেলজিয়াম স্বাস্থ্য বিভাগের বরাতে ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানায়, দেশটিতে যারা মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন তাদের তিন সপ্তাহের জন্য স্ব-বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে। পাশপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষেও আক্রন্তদের বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে বাকিদের দূরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।  

এদিকে এরইমধ্যে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার পরে এখন নতুন করে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে ইসরাইল এবং সুইজারল্যান্ডে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।  

বৃটিশ এসোসিয়েশন ফর সেক্সুয়াল হেলথ অ্যান্ড এইচআইভি’র প্রেসিডেন্ট ড. ক্লেয়ার ডিউস্ন্যাপ বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এই প্রাদুর্ভাব ব্রিটেনে যৌন স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর 'ব্যাপক প্রভাব' ফেলতে পারে।

অন্যদিকে বৃটেনে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তার মধ্যে এক বৃটিশ শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এখন পর্যন্ত ১৪টি দেশে এই বিরল রোগ শনাক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ ইসরাইল ও সুইজারল্যান্ডে একজন করে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বিশ্বে শতাধিক আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।  

ইসরাইল সরকার জানিয়েছে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহজনক ব্যক্তিদের খুঁজতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে সতর্ক অবস্থানে আছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র।  

উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে প্রথম গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে সংক্রামনের খোঁজ মেলে বিরল ভাইরাস মাঙ্কিপক্সের। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক বাসিন্দা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে জ্বর, মাথাব্যথা, পিঠ ও গায়ে ব্যথার মতো লক্ষণ থাকে। এ থেকে হতে পারে কাঁপুনি ও ক্লান্তি। এর পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন লসিকা গ্রন্থি ফুলে ওঠে। সাথে ছোট ছোট ক্ষতচিহ্ন দেখা দিতে থাকে মুখে। ধীরে ধীরে তা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: ন্যাটোতে যোগদান নিয়ে ইউক্রেনকে মিথ্যা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র 

বিশেষজ্ঞদের দাবি, আক্রান্ত ব্যক্তির আশেপাশে থাকা ব্যক্তির মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। শ্বাসনালি, ক্ষতস্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে। এমনকি আক্রান্তের ব্যবহার করা পোশাক থেকেও ছড়ায় সংক্রমণ।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৪ দিন ২৩ ঘন্টা আগে