ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

ভারতের গুয়াহাটিতে তৃতীয় নদী সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২২ ১২:৩২:১৩ আপডেট: ২৮ মে ২০২২ ১৯:৪১:১৫
ভারতের গুয়াহাটিতে তৃতীয় নদী সম্মেলন শুরু

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন ৫১ নদীর সদ্ব্যবহার কীভাবে করা যায়, সেই উপায় খুঁজতে ভারতের গুয়াহাটিতে শুরু হয়েছে তৃতীয় নদী সম্মেলন। এছাড়াও এই সম্মেলনের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে হারানো নৌপথ উদ্ধার ও তা আবার চালু করার কর্মপরিকল্পনা। 

ভারতের আসামের রাজধানী গৌহাটিতে বসেছে তৃতীয় নদী সম্মেলন। যেখানে দুই দেশের অভিন্ন নদীসহ নদী বিষয়ে নানা আলোচনায় সমস্যার সমাধান খুঁজবেন অতিথিরা।

শনিবার (২৮ মে) সকালে, বেসরকারি এই উদ্যোগে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্করসহ দু্ই দেশের নীতিনির্ধারকরা।

আব্দুল মোমেন ও সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর দুই দিনের এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স রিভার কনক্লেভ ২০২২ (নদী সম্মেলন)-এর উদ্বোধন করেন। 

সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপিনস ও ব্রুনেই সরকারি প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

নদী সম্মেলনে যোগাযোগ, সংস্কৃতি, বাণিজ্য, সংরক্ষণ এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে যৌথ মতামতকে উত্সাহিত করতে যৌথ নদী এবং এসব নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা করছেন আগত অতিথিরা। 

এতে পূর্ববর্বর্তী নদী সম্মেলনগুলোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রত্যয়ও পুনরায় ব্যক্ত করা হবে। এর আগের নদী সম্মেলন যথাক্রমে শিলং এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এমনকি লকডাউন চলার সময় বেশ কয়েকটি গবেষণা এবং আউটরিচ প্রকল্প এবং অনলাইন ইভেন্ট আয়োজিত হয়।

তৃতীয় নদী সম্মেলনটি গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ স্থানটি সমস্ত উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল হওয়া ছাড়াও এটি দক্ষিণ-পূর্বে ভারতের প্রবেশদ্বারও।  গুয়াহাটিতে শনিবার নদী সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন মোমেন ও জয়শঙ্কর

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বার্তায় বলেন, আমাদের অন্যান্য অংশীদারদের সাথে নদী সম্মেলনের তৃতীয় সংস্করণ আহ্বান করতে সহায়তার জন্য প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এই আয়োজনকে সফল করার জন্য আমরা আসাম সরকার ও রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং বিদেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, উত্তর-পূর্বে রাজ্য এবং প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ নদীর পানি ব্যবস্থাপনায় একটি সুপরিকল্পিত সহযোগিতা, সমস্যাগুলোকে অনেকাংশে হ্রাস করতে পারে। এবং এই অঞ্চলটিকে যোগাযোগ ও গ্রিন ইকোনমির কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে। 


একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন