ঢাকা ১৮ আগষ্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯

মহামারীর ধকল কাটিয়ে উন্নয়ন ধারায় ফেরার বাজেট

সুশান্ত সিনহা, একাত্তর
প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২২ ১২:৫৯:১৬ আপডেট: ০৯ জুন ২০২২ ১৫:২৩:০১
মহামারীর ধকল কাটিয়ে উন্নয়ন ধারায় ফেরার বাজেট

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এই তিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের চতুর্থ বাজেটে পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

চ্যালেঞ্জ আছে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন বাড়াতে কৃষিতে ভতুর্কি বাড়ানোর। জিডিপির প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৭ শতাংশ করতে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে রাজস্ব আদায়ে। 

করোনার পরবর্তী অস্থির বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও অন্যদিকে দেশে লাগামহীন মূল্য উর্ধ্বগতির মধ্যেই নিজের চতুর্থ বাজেটে জাতীয় সংসদে আজ পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তাই তো ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার এই বাজেট প্রস্তাবের নাম দিয়েছেন ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’। 

যেখানে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ উন্নীত করার পরিকল্পনা রেখেছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। যদিও এই আয় দিয়ে পুরো বছরের ব্যয় মেটাতে পারবেন না মুস্তফা কামাল। 

অন্যান্য চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা ঘাটতি পুরণ করাও বড় চ্যালেঞ্জ হবে আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য। 

দেশের বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী। বিশ্ববাজারেও খাদ্য ও জ্বালানির বাড়তি মূল্য উস্কে দিচ্ছে পণ্যের দাম। আমদানি খরচ মেটাতে ডলারের দামের উর্দ্ধমুখি প্রবণাতা রীতিমত অস্বস্তিতে পড়েছে বাংলাদেশ। 

তাই কৃষি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভুর্তকি বাড়ানো, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে মূল্যস্ফীতি আটকে রাখা অর্থমন্ত্রীর জন্য জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম।

আগামী বাজেটেও ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা তিন লাখ টাকা বহাল থাকছে। যদিও পাচারকরা বিদেশ থেকে সম্পদ দেশে আনলে বিশেষ ছাড় রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ তো আগের মতোই থাকছে।


একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১৬ দিন আগে