ঢাকা ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

প্রভাবশালীদের মদদেই পদ্মায় অবৈধ স্পিডবোট চলাচল

হাবিব রহমান
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২১ ২১:৪৭:৪৭ আপডেট: ০৪ মে ২০২১ ২১:৪৯:১৭

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে স্থানীয় প্রভাবশালীদের মদদেই চলাচল করে আসছে অবৈধ স্পিডবোটে যাত্রী পরিবহনের বাণিজ্য।

ঘাটের ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরাই দিতো স্পিডবোটগুলোর রুট পার্মিট। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ এসব নৌযান এবং চালক কারোই নেই সরকারি কোন অনুমোদন।

দু’দিন আগে মর্মান্তিক এক দূর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর মঙ্গলবার মাওয়া ঘাটে বন্ধ ছিলো স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার।

এই ঘাটে স্পিডবোট আছে কমপক্ষে তিনশ। অথচ নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের হিসাবে সারাদেশে মাত্র ২২টি স্পিডবোটের যাত্রী চলাচলের অনুমতি আছে।
শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে চলাচল করা কোন স্পিডবোটেরই যাত্রী পারাপারের অনুমোদন নেই। নেই রুটপার্মিট, ফিটনেস এমনকি চালকের লাইসেন্সও।

তারপরও যুগের পর যুগ প্রশাসনের চোখের সামনেই অবৈধভাবে যাত্রী পারাপার করছিলো স্পিডবোটগুলো।

যার নিয়ন্ত্রক শিমুলিয়া ঘাটের ইজারাদার শাহ আলম ও তার বড়ভাই মেদিনীমন্ডল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন।

তাদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে উল্টো তারা দায় চাপিয়েছেন বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের উপর। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট সবাই স্পিডবোট চলাচলের বিষয়টি জানে।

অবৈধ হলেও নানা কাজে এসব স্পিডবোট ব্যবহার করেন প্রশাসনের কর্মকর্তারাও। মঙ্গলবারও লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই মাদারীপুর থেকে স্পিডবোটে শিমুলিয়া আসতে দেখা গেছে এক সরকারি কর্মকর্তাকে।  

নৌ পুলিশ নিয়মিত টহল দিলেও তাদের সামনেই চলে আসছে স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার। নৌ পুলিশও স্বীকার করেছে সব কিছুই চলছে প্রভাবশালীদের ইশারায়। নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের দীর্ঘ চেষ্টাতেও এই অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
স্থানীয় প্রভাবশালীরা সহায়তা না করলে মাওয়া ঘাটে অবৈধ স্পিডবোট বন্ধের কোন সমাধান নেই বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

 

একাত্তর/এমএইচএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন