ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

মোংলায় থানা ভবন থেকে তক্ষক উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মোংলা (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২২ ১৭:৩৩:৩৩
মোংলায় থানা ভবন থেকে তক্ষক উদ্ধার

মোংলা থানা ভবন থেকে একটি তক্ষক উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। পরে তক্ষকটি সুন্দরবনের করমজল এলাকায় অবমুক্ত করেছে বনবিভাগ। 

বুধবার (২২ জুন) গভীর রাতে থানা ভবনে ধরা পড়ার পর বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) তা বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, থানা ভবনের পঞ্চম তলায় ইন্সপেক্টর সুজিত তার রুমের মধ্যে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে আসবাবপত্র ও কাগজপত্র নড়াচড়ার শব্দ পান। এরপর তিনি বিছানা থেকে উঠে লাইট জ্বালিয়ে রুমের মধ্যে একটি তক্ষক দেখেন। তখন তিনি থানা ভবনের অন্যান্য স্টাফদের বিষয়টি জানালে তারা এসে তক্ষকটি একটি বস্তায় ভরে আটকে রাখেন। 

মনিরুল ইসলাম আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে তারা তক্ষকটি বনবিভাগের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশনা দেন। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ অনুযায়ী ওই তক্ষকটি বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে বনবিভাগের পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবিরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

উদ্ধার হওয়া তক্ষকটি বন কর্মকর্তারা বিকেলেই সুন্দরবনের করমজল এলাকায় অবমুক্ত করেন জানিয়ে আজাদ কবির বলেন, তক্ষকটি লম্বায় ৭ ইঞ্চি, ওজন ৬০ গ্রাম আর বয়স ২ বছরের মত। 

তিনি আরও বলেন, গেকোনিডি গোত্রের একটি গিরগিটি প্রজাতির তক্ষক এটি। এর পিঠের দিক ধূসর, নীলচে-ধূসর বা নীলচে বেগুনি-ধূসর হয়ে থাকে। সারা শরীরে থাকে লাল ও সাদাটে ধূসর ফোঁটা। পিঠের সাদাটে ফোঁটাগুলো পাশাপাশি ৭-৮টি সরু সারিতে বিন্যস্ত। কমবয়সী তক্ষকের লেজে পরপর গাঢ়-নীল ও প্রায় সাদা রঙের বলয় রয়েছে। মাথা শরীরের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড় ও নাকের ডগা চোখা এবং ভোঁতা হয়ে থাকে। 

সুন্দরবন ছাড়াও বড় বড় গাছগাছালি রয়েছে এমন এলাকায় এ প্রজাতির তক্ষকের বিচরণ রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


একাত্তর/জো 

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৪ দিন ২৩ ঘন্টা আগে