ঢাকা ১৪ আগষ্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯

বন্যার পানি নেমে গেলেও নদীভাঙন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২২ ১৬:৪০:০৪
বন্যার পানি নেমে গেলেও নদীভাঙন অব্যাহত

বন্যার পানি নেমে গেলেও ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানে পানি বৃদ্ধি এবং নদীর তীব্র স্রোতের কারণে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। 

গত ১০ দিনে সাহেবের আলগা ইউনিয়নের হকের চরে ১৭ টি দোকানঘর এবং ৩৪ টি বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। এখনো চলছে ভাঙন। লোকজন বাড়িঘর সরিয়ে যে যেখানে পারছে মাথা গোঁজার ঠাই খুঁজছে। 

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙন। বিশেষ করে তিস্তা, দুধকুমর ও ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন চরাঞ্চলসহ মেইনল্যান্ডে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

চলতি মাসেই গত ১০- ১২ দিনে জেলার উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ও হাতিয়া ইউনিয়নে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। ভাঙনের ফলে সাহেবের আলগা ইউনিয়নের হকের চরে অবস্থিত অনন্তবাজারে ১৭ টি দোকান বিলীন হয়ে গেছে। সেই সাথে ভেঙে গেছে ৩৪টি বাড়ী। ভাঙন হুমকিতে রয়েছে আরও অনেকেই। ভাঙন কবলিতরা জায়গা না পেয়ে বিভিন্ন চরে ছড়িয়ে পড়ছে। কেউ কেউ আবাসনে, কেউবা নাইয়ার চরে, সুখের চরে, কাজীর চরে, ফেচকার চরে বা গুজিমারীতে চলে যাচ্ছে। যারা জায়গা পাচ্ছে না তারা খোলা জায়গায় হেঙ্গা দিয়ে (পলিথিনের ঝুপড়ি) অবস্থান নিয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।


ভাঙন কবলিত ব্যবসায়ী ও পরিবারের লোকজন জানায়, ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র স্রোতে আমাদের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট যেভাবে ভাঙ্গছে তাতে আমরা অসহায়। সরকার যেন দ্রুত ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেয়। 

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আমরা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করছি। এছাড়াও মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি স্থাপনা ভাঙনের মুখে পরলে সেটি রক্ষায় কাজ করা। 

ভাঙন রোধে তাদের পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ মজুদ আছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। 


একাত্তর/জো 

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১২ দিন আগে