ঢাকা ১৭ আগষ্ট ২০২২, ১ ভাদ্র ১৪২৯

দক্ষিণাঞ্চলের ঈদযাত্রায় এবার আগ্রহের শীর্ষে সড়কপথ

ইশতিয়াক ইমন, একাত্তর
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২২ ২০:৩৩:৩০ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২২ ০৯:৫০:২৭
দক্ষিণাঞ্চলের ঈদযাত্রায় এবার আগ্রহের শীর্ষে সড়কপথ

ঈদের বাকি এখনো ছয় দিন। এরইমধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের যাত্রীদের বাড়ি ফেরার উপচে পড়া চাপ তৈরি হয়েছে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদের বাস কাউন্টারগুলোতে।

শেষ হয়ে গেছে বেশিরভাগ বাসের ঈদযাত্রার আগাম টিকেট। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু দিয়ে কম সময়ে বাড়ি যেতে এবার মানুষের আগ্রহ বেড়ে গেছে বহু গুণে।

আর এই আগ্রহ এতোই বেড়েছে যে, বাসগুলো চাহিদা মতো টিকেট দিতে পারছে না। ঈদের আগে এই ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন তারা।

পদ্মা সেতু দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ পুরো বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। সেতু উদ্বোধনের পর যান চলাচলের প্রথম দিন থেকেই পাল্টে পুরো দৃশ্যপট।

বিশেষ করে এই সেতু দক্ষিণের ২১ জেলার মানুষের ভোগান্তি কতটা কমিয়েছে সেটি রোববার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়েই বোঝা গেলো।

কোন কাউন্টারেই দাঁড়াবার কোন জায়গাটাও নেই। অথচ ঈদের বাকি এখনো ছয় দিন। কিন্তু দক্ষিণের ঈদযাত্রা যেনো এখনই শুরু হয়ে গেছে। ঈদে বাড়ি ফেরা সেই সাথে পদ্মা সেতু দেখা।

দুইয়ে মিলে ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন। অথচ গেলো ইদুল ফিতরের সময়েই ছিলো দৃশ্যপট একবারে ভিন্ন। দক্ষিণের পথে ঈদযাত্রায় ঘরে পেরা মানুষের প্রধান আকর্ষনই ছিলো নদীপথ।

এরই মধ্যে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন রুটে নামা বিলাসবহুল বাসগুলোর টিকেট শেষ। কাউন্টারে এসে টিকেট না পেয়ে অনেকে চেষ্টা করছেন অনলাইনে অন্য বাসের টিকেট পাবার।

তাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মিলছে না। এনিয়ে বিস্তর অভিযোগও আছে যাত্রীদের। কারণে যাত্রীদের বেশিরভাগের জানা ছিলো না যে, ২৪ জুন থেকেই চলছে ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি।

ঈদের এতো আগেই যাত্রীর এমন চাপ দেখে অবাক কাউন্টার কর্মীরাও। তারা বলছেন, নতুন এ রুটে যে পরিমান যাত্রী আসছে তা তাদের ধারনারও বাইরে। এতো বাসও নেই কোম্পানিগুলোর।

আরও পড়ুন: ঈদের সাত দিন এক জেলার বাইক অন্য জেলায় যাবে না

৩ থেকে ৯ তারিখের বেশিরভাগ ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি শেষ। পরিবহন মালিক শ্রমিকরা বলছেন, সড়কে যানজট না হলে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরবেন দক্ষিণের ২১ জেলার মানুষ।

গ্রীন লাইন পরিবহনের ম্যানেজার জানান, বরিশাল-পটুয়াখালী যেতে এখন সময় লাগছে অনেক কম। আগে ফেরির জন্য যে সময় অপেক্ষা করতে হতো সেই সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘লঞ্চে এতো কম যাত্রী জীবনে দেখি নাই’

এতে করে একদিকে যাত্রীরা যেমন খুশি, তেমনি তাদের জ্বালানি খরচও কমে এসেছে। কমেছে পরিশ্রমও। বেড়েছে ট্রিপের সংখ্যাও।

আর ইলিশ পরিবহন জানিয়েছে, এখনো হাতে গোনা কিছু পরিবহন বাড়তি ট্রিপের ওপর ভরসা করে টিকেট দেয়ার চেষ্টা করছে।

সবার একটাই শংকা বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক আর পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার যানজট নিয়ে। সেই সাথে ভাঙ্গার পর থেকে সড়কে যানজট পরিস্থিতিও খারাপ হতে পারে।

 

একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১৫ দিন আগে