ঢাকা ১৪ আগষ্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯

ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, সংকটে জনসন

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২২ ১২:২৯:০২ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২২ ১২:৪০:৪৩
ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, সংকটে জনসন

লকডাউনের সময় করোনার বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে সরকারি অফিসে একাধিক পার্টির আয়োজন করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সে কারণে নিজ দলেই সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এবার দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা দুই মন্ত্রীর পদত্যাগে নতুন করে চাপে পড়েছেন জনসন।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দুই মন্ত্রীর পদত্যাগকে জনসনের প্রধানমন্ত্রীত্বের জন্য শেষ ধাক্কা হিসাবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

মঙ্গলবার কনজারভেটিভ পার্টির এমপি ক্রিস পিঞ্চারের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জানা থাকার পরও তাকে সরকারের ডেপুটি চীফ হুইপ করার বিষয়টি নিয়ে এদিন ক্ষমা চান জনসন।

জনসন বলেন, ক্রিসকে সরকারি পদে নিয়োগ করে এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা না নিয়ে তিনি ‘ভুল’ করেছেন। 

জনসন আরও বলেন, এই নিয়োগের কারণে যারা ভুক্তভোগী হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের কাছে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।

জনসনের ওই কথার মাত্র কয়েক মিনিট পরই পদত্যাগ করেন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ। তারা দু'জনই জনসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এর আগে ক্রিস পিঞ্চারের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহে সর্বশেষ যৌন কেলেঙ্কারির আরেক নতুন ঘটনা সামনে আসে এবং তাকে এমপি’র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। ক্রিসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়টি জনসনের জানা থাকার পরও তিনি বিষয়টি নিয়ে চুপ ছিলেন, আর এতেই বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছেন এমপি’রা।

ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী সুনাক জনসনকে দেওয়া তার পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, জনগণ আশা করে যে, সরকার ঠিকমত, পরিপূর্ণভাবে এবং গুরুত্বসহকারে রাষ্ট্র চালাবে।  

আরও পড়ুন: মালিতে বিস্ফোরণে দুই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিহত

তিনি আরও বলেন, পার্লামেন্ট ছেড়ে যেতে আমার কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, আমরা এইভাবে সরকার চালাতে পারি না।

জনসনের শাসন পরিচালনার সক্ষমতার ওপর আইনপ্রণেতারা এবং জনগণও আস্থা হারিয়েছে উল্লেখ করে পদত্যাগপত্রে জাভিদ লিখেছেন, আমাকে দুঃখের সঙ্গেই বলতে হচ্ছে যে, আপনার নেতৃত্বের অধীনে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না সেটি আমার কাছে পরিষ্কার। অতএব, আপনি আমারও আস্থা হারিয়েছেন।

তবে এরইমধ্যে নতুন অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে বরিস জনসনের চিফ অব স্টাফ স্টিভ বার্কলের। আর অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন নাদিম জাহাবী।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১২ দিন আগে