ঢাকা ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

গাজীপুরে যখন-তখন লোডশেডিং, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২২ ১৩:৩৩:১০
গাজীপুরে যখন-তখন লোডশেডিং, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে গাজীপুরের শিল্প-কারখানায় বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। ক্ষতির মুখে পড়েছেন শিল্প মালিকগণ। বিদ্যুৎ সরবরাহের শিডিউল থাকলেও তা কার্যকর না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষ বলছেন, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে না থাকায় শিডিউল ঠিক রাখা যাচ্ছে না।

গাজীপুর মহানগরের লক্ষীপুরা এলাকার পোষাক কারখানা কলম্বিয়া গ্রুপের কলম্বিয়া অপারেলস। মাঝারি ধরনের এই কারখানায় গতকাল বুধবার বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিলো পাঁচবার। বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ায় ডিজেল চালিত জেনারেটরে উৎপাদন খরচ বেড়েছে।

শুধুমাত্র কলম্বিয়া কারখানায় নয়, এ ধরনের মাঝারি ছোট-বড় হাজারো কারখানার একই অবস্থা। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও যখন-তখন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মেশিনপত্রের ওপর বাড়ছে চাপ। তাতে শিল্প-কারখানা গুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন তারা।

গাজীপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার যুবরাজ চন্দ্র পাল বলেন, শিল্প-কলকারখানায় লোডশেডিং কম দিয়ে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে সরবরাহের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে না থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

দেশের রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে অর্থনীতিতে তাদের অবদান স্বাভাবিক রাখার স্বার্থেই শিল্প-কলকারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন। সে কারণে শিল্প-কারখানারগুলোতে লোডশেডিং কমানো এবং সিডিউল কঠোরভাবে মানার দাবি রয়েছে কারখানা মালিকদের।

আরও পড়ুন: যে ৫২ উপজেলায় ভূমিহীন-গৃহহীন নেই কেউ

জানা যায়, গাজীপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ডেসকো এই দুইটি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। জেলায় মোট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১০৫০ মেগাওয়াট। যেখানে ঘাটতি রয়েছে প্রায় সোয়া ৩০০ মেগা ওয়াটের।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

১০ দিন ৩ ঘন্টা আগে