ঢাকা ২০ আগষ্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯

কষ্টে চলছে মাটির চুলার কারিগরদের জীবন

বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্ত্তী, বাগেরহাট
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২২ ১৪:৫৪:০১ আপডেট: ২২ জুলাই ২০২২ ১৫:২৬:৪৬
কষ্টে চলছে মাটির চুলার কারিগরদের জীবন

বাগেরহাটে ভৈরব নদের পাড়ে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মাটির চুলা তৈরি করা হচ্ছে। নারীরা নিজেদের দক্ষতা আর সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে নদের চর থেকে পলিমাটি তুলে চুলা তৈরি করছেন। ওই নদের পাড়ে সাজিয়ে রেখে চুলা বিক্রি করা হয়। কয়েক যুগ ধরে শহরের ভৈরব নদের পাড়ে এই মৃৎশিল্পের দেখা মেলে। সেই চুলা তৈরির কারিগরদের কষ্টের শেষ নেই। নদীর পাড়ে ঝুঁপড়ি ঘরেই তাদের সংসার। সরকারের কাছে বারবার সহায়তার দাবি জানাচ্ছেন তারা। 

জানা গেছে, এলাকায় মাটি দিয়ে তৈরি করা চুলার ঐতিহ্য রয়েছে। এক সময় গ্রাম-বাংলায় রান্না-বান্নার মূলভিত্তি ছিল মাটির চুলা। শহর-বন্দর-গ্রাম থেকে সর্বত্রই চুলার ব্যবহার রয়েছে। হউক সে মাটির চুলা বা অন্য কোন চুলা। চুলা ছাড়া রান্না অসম্ভব। বাগেরহাট ভৈর নদের চর থেকে মাটি তুলে শহর রক্ষা বাঁধের পাশে তৈরি করা হচ্ছে গ্রামীণ মাটির চুলা। কারিগড়রা একমুঠো দুইমুঠো করে একের পর এক মাটি সাজিয়ে তৈরি করেন চুলা। নিপুন হাতের ছোয়ায় ধীরে ধীরে মাটির চুলায় সৌন্দয্য পায়। শহরের বিভিন্ন চায়ের দোকান আর বাসাবাড়িতে যারা জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে তারাই মাটির চুলা ক্রয় করে। ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয় এক একটি মাটির চুল। শহরের বিভিন্ন চায়ের দোকান আর বাসাবাড়িতে যারা জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে তারাই মাটির চুলা ক্রয় করে। দেশে নানা ধরণের চুলার ব্যবহার থাকলেও মানুষের কাছে এখনও মাটির চুলার কদর রয়েছে। আর যারা জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করেন তাদের রান্নার জন্য মাটির চুলাই ভরসা।