ঢাকা ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চার সুপারিশ

শারমিন নীরা, একাত্তর
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২২ ২২:০০:০২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চার সুপারিশ

করোনায় দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর গেলো বছর সেপ্টেম্বর আবারও শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম। বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের (বেডু) এক গবেষণায় জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে পাঠদানের নানা মাধ্যম থাকলেও শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের উচ্চ, মধ্যম আর স্বল্প মাত্রা শিখন ঘাটতি পূরণে চার সুপারিশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। 

সুপারিশগুলো হলো- বৃহস্পতিবার বাড়তি দুটি ক্লাস নেওয়া, ক্লাসের পাশাপাশি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া, ক্লাসে শিক্ষকের বাড়তি মনোযোগ, কিংবা পাঠ্যবিষয়ের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি। 

বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের গবেষণার তথ্যে জানা গেছে, বাংলায় ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যম মাত্রায় ও ২৪ শতাংশের উচ্চ মাত্রায় শিখন ঘাটতি রয়েছে। স্বল্প মাত্রায় শিখন ঘাটতি আছে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর। ইংরেজিতে মধ্যম মাত্রায় শিখন ঘাটতি থাকা শিক্ষার্থী ৩৮ শতাংশ, উচ্চ মাত্রায় ১৮ শতাংশ এবং স্বল্প মাত্রায় শিখন ঘাটতি রয়েছে ২০ শতাংশের। 

অপরদিকে গণিতে মধ্যম মাত্রায় শিখন ঘাটতি রয়েছে ১৪ শতাংশের, উচ্চ মাত্রার এই হার ৩৯ শতাংশ এবং স্বল্প মাত্রার ক্ষেত্রে ১৬ শতাংশ। পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: কমলাপুর স্টেশনে ঢুকতে বাধা, ফটকে অবস্থান রনির

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, পরিকল্পনার পাশাপাশি ক্ষতি পূরণে প্রতিষ্ঠানগুলোরও দায়িত্ব রয়েছে। গণিত আর ইংরেজিতে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। 

উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জহুরা বেগম বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় বেশি মনোযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads
ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

২ মাস ৮ দিন আগে