ঢাকা ২০ আগষ্ট ২০২২, ৪ ভাদ্র ১৪২৯

নভেম্বরের আগেই আসছে টিকার আরও একটি বড় কর্মসূচি

ডলার মেহেদী, একাত্তর
প্রকাশ: ০৬ আগষ্ট ২০২২ ২০:১৬:১২ আপডেট: ০৬ আগষ্ট ২০২২ ২০:২২:৫৪
নভেম্বরের আগেই আসছে টিকার আরও একটি বড় কর্মসূচি

নভেম্বরের আগেই দেশব্যাপী করোনা টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের বড় রকমের কর্মসূচি চালাতে চায় দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ। 

কারণ নভেম্বরে শেষ হচ্ছে মজুদ থাকা অন্তত দেড় কোটি টিকার মেয়াদ। তাই এখনও যারা কোন টিকাই নেননি তাদের প্রথম দুই ডোজের টিকা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। 

কিন্তু, করোনা মহামারীর গ্রাফ নিচের দিকে নামতে থাকায় টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অনাগ্রহ নিয়ে চিন্তায় আছে কর্তৃপক্ষ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ৭৬ শতাংশ মানুষ প্রথম ডোজ ৭১ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ আর ২৩ শতাংশ করোনার তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের টিকা পেয়েছে। 

সেই হিসেবে প্রথম ডোজ নিয়েছে প্রায় ১৩ কোটি মানুষ। দ্বিতীয় ডোজ ১২ কোটি। তৃতীয় ডোজ নিয়েছে প্রায় ৪ কোটি মানুষ। কিন্তু গেলো তিনমাস ধরে মানুষের টিকা নেয়ার হার কমছে।

সরকারের লক্ষ্য ছিলো ১৩ কোটি ২৯ লাখ প্রাপ্ত বয়স্ককে টিকা দেয়ার। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৯৭ লাখ মানুষ। ৩২ লাখ মানুষ এখনো প্রথম ডোজ নেননি। 

আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি মানুষ। দ্বিতীয় ডোজ নেননি ৯৭  লাখ মানুষ। সব মিলিয়ে এক কোটি ২৬ লাখ মানুষ  প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকার বাইরে আছেন। 

আর ছয় কোটিরও বেশি মানুষের বুস্টার ডোজের সময় হলেও তারা নিচ্ছেন না। করোনার গ্রাফ আবারো নিচের দিকে যাওয়ার কারণে টিকা নিতে আগ্রহী হচ্ছে না। 

ঢাকায় কয়েকটি করোনা টিকাদান কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এখন মানুষের মধ্যে টিকা নেয়ার আগ্রহ তেমন নেই। এমনটি বুস্টার ডোজেও আগ্রহ নেই।

ইপিআই পরিচালক ডা. শামসুল হক বলছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোভ্যাক এবং সিনোফার্মের টিকা দেয়া হয়েছে। 

বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া হয়েছে ফাইজার ও মর্ডানার টিকা। কিন্তু প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য এখনও অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোভ্যাক ও সিনোফার্মের দেড় কোটি টিকা মজুদ আছে। 

নভেম্বরের পর এসব টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তার আগেই টিকাগুলোর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান ইপিআই বিভাগের এই পরিচালক। 

তিনি জানান, নভেম্বরেই মধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়ার কর্মসূচি শুরু করা হবে। এর পর আর প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়া যাবে না। 

আরও পড়ুন: করোনায় একদিনে দুই মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২২০

শামসুল হক বলেন, সরকার প্রতিটি টিকা পাঁচ ডলার খরচ করে কিনেছে। এখন সেই টিকা পচে যাচ্ছে। পরে কেউ এসে কান্নাকাটি করলেও আমরা টিকা দিতে পারব না। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত সরকার মোট ৩০ কোটি ডোজ টিকা সংগ্রহ করেছে। এখনও মজুত আছে এক কোটি ৪৮ লাখ ডোজ।


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

১ মাস ১৮ দিন আগে