ঢাকা ১৫ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮

‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার পেছনের গল্প

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২১ ১৯:০৩:২৫ আপডেট: ০৪ জুন ২০২১ ১৯:১৩:২২
‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার পেছনের গল্প

ফ্রান্সের প্যারিসে বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সকালে যখন 'কান ফেস্টিভ্যাল ২০২১' আসরের অফিশিয়াল সিলেকশনের তালিকা প্রকাশ হলো, বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বাংলাদেশের সিনেমা তখন এগিয়ে গেছে আরও একধাপ! বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এবারের আসরে 'আঁ সার্তেন রিগার্দে' অর্থাৎ 'ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে' বিভাগে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের চলচ্চিত্র 'রেহানা মরিয়ম নূর'।

১৯৭৮ সালে গিলস জ্যাকব 'আঁ সার্তেন রিগার্দে' বিভাগের সূচনা করেন। এর আগে ২০০২ সালে কানের সমান্তরাল শাখার (প্যারালাল সেকশন) 'ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট' বিভাগে স্থান করে নিয়েছিল প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না'। 

কানের ৭৪তম আসরে এ বিভাগে স্থান পেয়ছে মোট ১৮টি চলচ্চিত্র। সেই তালিকায় বাংলাদেশ এবং নিজের নাম দেখার পর আনন্দের অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সেকথা জানিয়েছেন তিনি নিজেই। 'রেহানা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। 

শুক্রবার (৪ জুন) একাত্তর টিভির 'আনন্দযোগ' অনুষ্ঠানে সরাসরি যুক্ত হয়ে সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাঁধন এবং ছবিটির নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু।

অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন বলেন, আমার যুক্ত হওয়াটা ২০১৮ সালের শেষে। প্রথমে অডিশন দেই, অডিশন হয়েছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের শেষে। তারপর দুই মাসের মতো একটা অবজার্ভেশন পিরিয়ড ছিল। আমি কস্টিউম পড়েই অডিশনটা দিয়েছিলাম। অবজার্ভেশন পিরিয়ডে তারা দেখেছিল, আমি চরিত্রটি ধারণ করার ক্ষমতা রাখি কি না। 

এ চরিত্রটির জন্য টানা রিহার্সাল করতে হয়েছে অভিনেত্রী বাঁধনকে। তিনি বলেন, আমরা টানা নয় মাস রিহার্সাল করেছি। পরে শ্যূট করেছি ৩৪ দিন। শ্যূটিংএর জন্য কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকাল কলেজে থেকেছি দুই মাস। প্রায় দেড় বছরের একটা জার্নি।  

চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু জানান, ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় চলচ্চিত্রের কাজ। ২০১৭ সালেই নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ চলচ্চিত্রের গল্প লেখা শুরু করেন। পরে শুরু হয় রিহার্সাল। এই চলচ্চিত্রে যারা কাজ করেছেন তারা অধিকাংশই আমাদের বন্ধু, এতাই ছিল আমাদের সবচেইয়ে বড় পজেটিভ সাইড। যে কোনো সমস্যা সমাধানে আমরা একসাথে কাজ করতাম।

নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ও পুরো টিমের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বাঁধান বলেন, এটা অসম্ভব একতা ভালো জার্নি ছিল আমার জন্য। এই চলচ্চিত্রের চরিত্র আমার ব্যক্তি জীবনেও প্রভাব ফেলেছে। এমন একটা মেধাবী টিমের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। এমন একটি অর্জনে আমি আনন্দিত। 




একাত্তর/আরবিএস

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন