ঢাকা ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

বাঁধের মাটি কেটে রাস্তা ও ঘরবাড়ি তৈরি!

শামীম আল সাম্য, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২১ ১৯:৩৭:০৬ আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২১ ০৯:১৭:২৭
বাঁধের মাটি কেটে রাস্তা ও ঘরবাড়ি তৈরি!

গাইবান্ধার তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের বাঁধের মাটি কেটে তৈরি হয়েছে রাস্তা ও বাড়ি ঘর। এতে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে ২৩ কিলোমিটার এলাকার বাঁধ।

ঝুঁকির মুখে পড়েছে সদর উপজেলা, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটার বেশ কিছু এলাকা। বন্যার আগেই বাঁধ মেরামতের দাবি ওইসব এলাকার মানুষের।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা থেকে শুরু হয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি গিয়ে ঠেকেছে সাঘাটা পর্যন্ত। যার দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাঁধটি কেটে কেটে ঘরবাড়ি তৈরি করেছে এলাকার মানুষ। তৈরি হয়েছে রাস্তা। যে কারণে ২৩ কিলোমিটার এলাকা হয়ে উঠেছে ঝুঁকিপূর্ণ।

এলাকার মানুষ বলছেন, বেশি ঝুঁকিতে আছে সুন্দরগঞ্জের হরিপুর থেকে গাইবান্ধার কামারজানি পর্যন্ত এলাকা। কিছু কিছু অংশ মেরামত এবং বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

কিন্তু ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পানি বাড়ায় বড় ধরণের বন্যার আশঙ্কা করছেন তারা। অনেকেই আতঙ্কে বাড়িঘর ছাড়তে শুরু করেছেন।

স্রোতে সাঘাটা উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে বেড়েছে নদী ভাঙনের তীব্রতা। একের পর পর নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি।

এছাড়া, মুন্সিরহাট, গোবিন্দি, হাটবাড়ী গ্রামে নদী ভাঙনে নতুন করে অনেকের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকিতে পড়েছে ঘরবাড়ি, আবাদি জমি, গাছপালাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা।

আরও পড়ুন: চারিগ্রামের রানীকে দেখতে ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন

ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা স্বীকার করে বাঁধটি মেরামতসহ বাঁধের ওপর অবৈধ বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান।

বন্যার আগে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের দাবী জানিয়েছেন চার উপজেলার মানুষ।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন