ঢাকা ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

শ্রমিক রক্ষায় ‘জাতীয় মানদণ্ড আইন’ দাবি বিএনপির

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২১ ১৬:০৯:০৮
শ্রমিক রক্ষায় ‘জাতীয় মানদণ্ড আইন’ দাবি বিএনপির

শিল্প কারখানায় অগ্নিকান্ড ও দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত শ্রমিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে ‘জাতীয় মানদণ্ড আইন’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দলের এ অবস্থান ব্যক্ত করেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন ‘একটা ঘটনা ঘটবে, আমরা কয়েকদিন হৈচৈ করবো তারপর সবাই আবার চুপ করে যাবো।  এটার একটা স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা প্রস্তাব করেছি যে, একটা জাতীয় মানদণ্ড আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার, এই ধরনের দুর্ঘটনায় শ্রমিকরা কী ক্ষতিপূরণ পাবেন, আহতরা কী ক্ষতিপূরণ পাবেন, নিহতরা কী ক্ষতিপূরণ পাবেন, মালিকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা হবে এবং যারা এটার পরিদর্শনের দায়িত্বে, তাদের কোনও অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা হবে— সবকিছু সেটার মধ্যে থাকা দরকার। যাতে করে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে।’

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থ-আইএলও কনভেনশন ১২১, ১৯৫৮ সালের মারাত্মক দুর্ঘটনা আইন এবং রানা প্লাজার দৃষ্টান্ত অনুযায়ী জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়নের জোর দাবি জানানো হয় বিএনপির পক্ষ থেকে।

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ কাজ করতে যায় জীবন বাঁচানোর জন্য, জীবিকা অর্জনের জন্য। সেখানে কাজ করতে গিয়ে যদি মানুষকে অকালে জীবন দিতে হয়, তাহলে তো সেটা কারখানা না, ওটা একটা মৃত্যুকূপ। এটা তো কোনও রাষ্ট্র মেনে নিতে পারে না, মানা উচিত না। অতত্রব এটা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। আমরা আশা করবো,  রাষ্ট্রে সে দায়িত্ব পালন করবে।’

মঙ্গলবার রূপগঞ্জের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান  বলেন, ‘আমরা সেখানে গিয়ে কর্মহীন শ্রমিকদেরকে কাজের  প্রত্যাশায় দাবি জানাতে দেখেছি। আমরা মনে করি, দীর্ঘদিন বেতনহীন এসব শ্রমিককের অবিলম্বে প্রাপ্য পরিশোধ করা জরুরি। একই সাথে আমরা চাই, সজীব গ্রুপের প্রত্যেকটি কারখানা যথাযথ পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য ও নিরপত্তা ব্যবস্থা কর্মোপযোগী করে, যত দ্রুত সম্ভব শ্রমিকদের কাজে ফেরার পরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার। যাতে তারা পরিশ্রম করে জীবিকা অর্জন করতে পারেন।’

এসময় অগ্নিকাণ্ডের সময় হাসেম ফুডস কারখানার চতুর্থ তলার গেইট কেন বন্ধ ছিল তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানান নজরুল ইসলাম খান।


একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন