ঢাকা ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

আখাউড়া স্থলবন্দরে বেড়েছে রপ্তানী আয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২১ ১৩:৩৫:৪১
আখাউড়া স্থলবন্দরে বেড়েছে রপ্তানী আয়

করোনায় যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় কমেছে ভ্রমণ কর। তবে রপ্তানী কার্যক্রম অনেকটাই স্বাভাবিক থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া স্থলবন্দরে বিগত অর্থ বছরের তুলনায় বেড়েছে রপ্তানী আয়। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও ২০২০-২১ অর্থবছরে এ বন্দর দিয়ে অতিরিক্ত ১৫৫ কোটি টাকার পণ্য  রপ্তানী হয়েছে। প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ভারতের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের চাহিদাকে কাজে লাগাতে পারলে রপ্তানী আয় আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। 

১৯৯১ সালে বাংলাদেশ-ভারতের নাগরিকদের সুবিধার্থে আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম শুরুর পর ২০১০ সালে স্থলবন্দরের কার্যক্রম চালু হয়। পূর্ব জনপথের গুরুত্ব এ বন্দর দিয়ে  বাংলাদেশী মাছ পাথর সহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধারনের পন্য সামগ্রী ভারতে রপ্তানীসহ প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসাযাওয়া করে। করোনার প্রভাবে বন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার কমে যাওয়ায় ভ্রমণকর কমে গেলেও পণ্য রপ্তানী অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। 

আগে প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে আড়াইশ ট্রাক মালামাল ভারতে রপ্তানী হলেও এখন করোনার কারণে সে সংখ্যা কমে ১৫/২০টিতে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী পারাপার কমে যাওয়ায় আগে প্রতিমাসে যেখানে ৭০/৭৫ লাখ টাকা ভ্রমণকর আদায় হতো এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে দেড় থেকে দুই লাখ টাকায়।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এক হাজার কোটি টাকার পণ্য রপ্তাণীর লক্ষ্য মাত্রা ধরা হলেও  প্রায় সাতশ' কোটি টাকার পণ্য রপ্তানী হয়েছে যা ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের তুলনায় ১৫৫ কোটি টাকা বেশী।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এ বন্দর রপ্তানি হয়েছে ছয়শ' ৯৭ কোটি ৭০ লাখ এক হাজার ৭৫৮ টাকার পণ্য। সেখানে এর আগের অর্থ বছরে রপ্তানি হয় ৫৪২ কোটি ১৩ লাখ ২৯ হাজার ৯৩০ টাকা। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চাহিদা থাকা সত্বেও নানা প্রতিবন্ধকতায় কাঙ্ক্ষিত পণ্য রপ্তানী করা যাচ্ছেনা। 

আরও পড়ুন: রংপুর চামড়ার নজিরবিহীন দরপতন, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ভারতের সেভেন সিস্টারে বাংলাদেশী পন্যের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানি। সমন্বিত পদক্ষেপে সমস্যা কাটিয়ে উঠলে রপ্তানী বাড়বে বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। 

প্রচুর চাহিদা থাকা সত্বেও করোনার কারণে রপ্তানী খাতে কাঙ্ক্ষিত আয় না হলেও একশ' ৫৫ কোটি টাকা রপ্তানী আয়ের দাবী করেন আখাউড়া স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। 


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন