ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বার ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সুরক্ষা বলয়ে হাঁপিয়ে উঠছে টাইগাররা

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২১ ১০:৫৬:৫০ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ১৩:০০:০১
সুরক্ষা বলয়ে হাঁপিয়ে উঠছে টাইগাররা

সুরক্ষা বলয়ে হাঁপিয়ে উঠছে ক্রিকেটাররা। বলয়ের কড়াকড়িতে ক্রিকেটারদের মানসিক চাপটাও বাড়ছে। যার নেতিবাচক প্রভাবও পড়ছে শরীরে। টাইগারদের টানা শিডিউলও বিপদ ডেকে আনছে। 

ইনজুরির পাশাপাশি বাড়ছে মানসিক অস্থিরতা; তাই ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেয়া কিংবা রোটেশান পদ্ধতিতে চলে যাওয়াটাও হয়ে উঠছে জরুরি।

জলে কুমির আর ডাঙায় বাঘ--এই সমীকরণেই যেনো আকটকে গেছে মানুষের জীবন; ছটফট করেও রক্ষে নেই; এক অদৃশ্য খাঁচায় আটকে কেবল ছটফট করা; কোথাও পালানোর উপায় নেই।

ফুসফুসের রোগ করোনার বিস্তৃতি আরো বেড়েছে, বাইরে গেলেই করোনার ভয়; সতর্কতায়ও কখনো নেই রক্ষে; ঘরবন্দি জীবনও নেই স্বস্তি; অস্থির সময়ের নিকষ আঁধার ঘিরে রাখে চারপাশটা।

নিউজিল্যান্ড সফরেও জৈব সুরক্ষা বলয়ের ভয়াবহতার কথা জানিয়েছিল টাইগাররা; ওদের কাছে মনে হয়েছিল এটা কারাগার। 

নিউজিল্যান্ডে বায়োবাবলে ঝক্কির পর এমন নির্মল আকাশে মিলেছিল স্বস্তি, মিলেছিল কিছুটা শান্তিও; সেই স্বস্তিতে আবারও ঝক্কি দিয়েছে শ্রীলঙ্কা সফর। করোনা টেস্ট সুরক্ষা বলয়, ক্রিকেটারদের ফের হাঁপিয়ে ওঠার দশা।

দেশে ফিরেও শান্তি ছিলো না, আবারও লঙ্কানদের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজের জন্য জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকতে হয়েছিল ক্রিকেটারদের; মে মাসে লঙ্কানদের বিদায় দিয়েই খানিকটা স্বস্তি।

তবে মাস না ঘুরতেই আবার উড়াল; টিম টাইগার্স জিম্বাবুয়েতে; ওদের ঈদটাও এবার সেখানে কেটেছে। একমাসের মিশন এক্সট্রিম শেষে ফের দেশের বিমান ধরার অপেক্ষা; ফিরতে না ফিরতেই দুয়ারে দাঁড়িয়ে থাকবে অজিরা। 

সব মিলিয়ে জৈব সুরক্ষা বলয় ঘাড়ে চেপে বসেছে বোবা ভুতের মতো, অজিদের বিদায় দিয়ে ইংলিশ আর কিউইদের বরণ করতে হবে, তারপরেই ধরতে হবে ওমানের বিমান। সামনে আরো বড় মিশন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের লড়াই।

বাবলের এই ভূত চেপে বসেছে গোটা ক্রিকেট বিশ্বে, হাঁপিয়ে উঠছে সবাই। খেলোয়াড়দের মানসিকতায় এর প্রভাব পড়ছে, প্রভাব পড়ছে শরীরেও, ওরা এই দমবন্ধ পরিবেশে হাঁপিয়ে উঠছে। অজিরাও নিস্তার চাইছে, নিস্তার চাইছে ক্রীড়া জগতের সবাই।


একাত্তর/এসজে


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন