ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বার ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

ঢাকায় ফিরতে ফেরিঘাটে জনস্রোত, বাস-লঞ্চে ভোগান্তি কমেছে

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগষ্ট ২০২১ ১০:৪২:১০ আপডেট: ০২ আগষ্ট ২০২১ ১০:২৪:৫২
ঢাকায় ফিরতে ফেরিঘাটে জনস্রোত, বাস-লঞ্চে ভোগান্তি কমেছে

শিল্পকারখানা খোলায় আজও কর্মস্থল ঢাকা অভিমুখী মানুষের চাপ রয়েছে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। তবে, সকাল হতে লঞ্চ চলাচল করায় চাপ কিছুটা কমেছে। এছাড়া গণপরিবহন চলায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে অনেকাংশেই। স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রাজধানীমুখী বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা।

রোববার (১ আগস্ট) একাত্তর সংবাদদাতারা সরেজমিন থেকে জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের লঞ্চে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। সকাল হতে এ নৌরুটগুলোতে চলাচল করছে প্রায় একশ’ লঞ্চ।

ঘাটে আসা প্রতিটি লঞ্চেই দেখা গেছে যাত্রীদের গাদাগাদি। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো পাড়ি দিচ্ছে নদী। এতে করে লঞ্চে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি, নিশ্চিত হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব। পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে।

শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে। তবে বাড়তি যাত্রীদের উপস্থিতিতে আজও অনেক কর্মস্থলমুখী মানুষকে ট্রাকসহ স্বল্পগতির যানবাহনে চড়তে দেখা গেছে।


বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের পরিদর্শক মো. সোলেইমান জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটে ৮৬টি লঞ্চ সচল আছে। দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীর সংখ্যা কম। তবে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল রয়েছে। দুপুর পর্যন্ত সকল লঞ্চ চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে যাত্রীদের উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।

এদিকে গার্মেন্টসহ রপ্তানিমুখী কলকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে আজ (রোববার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চলছে সব ধরনের গণপরিবহন। সংশ্লিষ্ট দাবি করছেন, শ্রমিকদের স্বার্থে সরকার গণপরিবহন চলাচল শিথিল করেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সব জেলায় এবং শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করবে।

আরও পড়ুন: রোববার দুপুর পর্যন্ত চলবে বাস, লঞ্চ


উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। যা চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। বিধিনিষেধ চলাকালে দেশের সব শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

তবে ঈদের পর থেকেই কারখানা খোলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিল্প-কারখানার মালিকরা। ওই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩০ জুলাই) গার্মেন্টসসহ রপ্তানি-মুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন