ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বার ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

আমদানির প্রভাবে কমছে চাল ও ধানের দাম

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বার ২০২১ ১৭:২১:২৮
আমদানির প্রভাবে কমছে চাল ও ধানের দাম

চাল আমদানির প্রভাব পড়েছে সারাদেশে। এরই মধ্যে মোকামগুলোতে ধানের দাম কমেছে প্রতি মণে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। 

পাশাপাশি কমেছে চালের দাম। প্রতি কেজিতে চালের দাম কমেছে দুই থেকে তিন টাকা। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তবে খুশি সাধারণ ক্রেতারা।

সবশেষ বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও চালের দাম বেড়েই যাচ্ছিলো। মহামারির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দায় যা বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের ওপর। চালের দামে ঊর্ধ্বগতির ওপর লাগাম টানতে সরকার আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়।

এখন পর্যন্ত সরকার ৩৪৯টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ দশমিক ৯২ লাখ টন চাল আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে। আর, ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চাল আমদানি করে তা বাজারে বিক্রি করতে হবে। 

এই পরিস্থিতিতে নওগাঁয় সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ ধানে দাম কমেছে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। আর চালের দাম কমেছে কেজি প্রতি দুই টাকা। 

তবে আমদানির প্রভাবে নয়, মিলাররা বেশি লাভের আশায় ধান-চাল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে অভিযোগ কৃষকদের।  

বগুড়ার ধাপের হাটে গত সপ্তাহে প্রকারভেদে ধান বিক্রি হচ্ছিলো ১,৩৬০ টাকা দরে। আর এখন বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকা থেকে তেরশ’ টাকা। চালের দাম কমেছে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা। ক্রেতাদের আশা দাম আরও কমে আসবে।

তবে আমদানির সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়েনি নাটোরের বাজারে। কৃষকরা বলছেন, এমনিতেই দাম কম পাওয়ায় প্রতি বছর তাদের লোকসান হয়। তবে, উপযুক্ত দাম দিয়ে সরকার ধান কিনে নিলে বাইরে থেকে আমদানি করার কোন প্রয়োজন হবে না।

দেশের পূর্বাঞ্চলের ধানের সবচেয়ে বড় মোকাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের ধানের দাম কমেছে। মণ প্রতি কমেছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। 

সরকারি ভাবে নতুন করে ধানের সংগ্রহ শুরু হলে দাম আবারো বাড়বে বলে আশা খাদ্য বিভাগের। 

আর বিশেষজ্ঞরা জানান, সরকারের হাতে ইতোমধ্যে মাঝারি আকারের মজুত আছে এবং মিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের কাছেও চালের ভালো মজুত আছে। বেসরকারি আমদানিকারকরা চালের দাম আরও কমিয়ে আনবেন।



একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন