ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বার ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

জব্দ করা মালামাল ফেরত চেয়েছেন পরীমনি

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বার ২০২১ ১৪:২২:১৯ আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বার ২০২১ ২১:৩৩:০৪
জব্দ করা মালামাল ফেরত চেয়েছেন পরীমনি

মাদক মামলার শুনানিতে আদালতে হাজির হয়ে নিজের জব্দকৃত মালামাল ফেরত চেয়েছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। 

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শুনানির পর একথা জানান পরীমনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান। 

এর আগে সকাল পৌনে ১১টার দিকে কালো রঙের একটি গাড়িতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পৌঁছান পরীমনি। এসময় তার চোখেও কালো সানগ্লাস ছিলো। উপস্থিত ভক্ত, সমর্থক ও জনতার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে সাড়া দেন তিনি।  

শুনানিতে পরীমনির আইনজীবী বলেন, আমরা আদালতে দুইটি আবেদন করেছি। একটি পরীমনির ব্যবহৃত সাদা গাড়িটি জিম্মায় নেওয়ার এবং আরেকটি হচ্ছে তার মোবাইল ল্যাপটপসহ জব্দ করা অন্যান্য জিনিসপত্রের। এগুলো পরীমনির নিজের ব্যবহৃত জিনিস। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো জব্দ করে। সেজন্য আমাদের কাছে কোন ডকুমেন্ট নেই। যেহেতু তিনি একজন আলোচিত চিত্রনায়িকা। অন্ততপক্ষে গাড়িটি তার জিম্মায় দেওয়া হোক।

পরীমনিকে আটকের সময় তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করার ঘটনায় পরদিন ৫ আগস্ট র‍্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরীমনির বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে। সেই মামলাতে হাজিরা দেওয়ার জন্য পরীমনি আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। জামিন পাবার পর বুধবার প্রথম আদালতে উপস্থিত হলেন তিনি। 

আরও পড়ুন: পরীমনির রিমান্ড: দুই বিচারকের ব্যাখ্যা হাইকোর্টকে হেয় করেছে

রাষ্ট্রপক্ষ আবেদনে বিরোধিতা করে বলেন, যেহেতু এই ডকুমেন্টগুলোর কোন কাগজপত্র নেই, তাই যাচাই-বাছাই করা সম্ভব না। তাদের আবেদন নামঞ্জুর করার দাবি জানাচ্ছি।

এরপর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তদন্ত কর্মকর্তাকে বিআরটিএ থেকে গাড়ির সঠিক মালিকানা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এদিকে পরীমনিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় রিমান্ডে পাঠানোর বিষয়ে নিম্ন আদালতের দুই বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার পর তারা যে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তাতে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। 

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রিমান্ডের আদেশে যে ত্রুটি হয়েছে তা ওই দুই বিচারক বিশ্বাস করেন না। তারা হাইকোর্টকে শিক্ষা দিয়েছেন। তাদের ব্যাখ্যার মাধ্যমে হাইকোর্টকে হেয় করা হয়েছে। 

আবেদনকারীর আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, রিমান্ড নিয়ে বিচারিক আদালত উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মানেন নাই। ফলে আদালত ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে না পারায় তাদের আবারো ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে। 


একাত্তর/আরএইচ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন