ঢাকা ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

এবার সিপিটিপিপিতে যোগ দিতে আবেদন করলো চীন

সাদিয়া লাবনী, একাত্তর
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:৩৬:৫৫ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:৪০:৫৮
এবার সিপিটিপিপিতে যোগ দিতে আবেদন করলো চীন

এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অংশীদারত্বমূলক বাণিজ্য চুক্তি সিপিটিপিপি’তে যোগ দেয়ার আবেদন করেছে চীন।

বৈশ্বিক বাণিজ্যে অবস্থান আরো শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। এমন তথ্যই জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস।

ভূ-রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিতের বড় অস্ত্র এখন বাণিজ্য বলয় তৈরি এবং এতে অংশিদারিত্ব নিশ্চিত করা। সেটিই আবার ঝালাই করছে চীন।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখতে প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যজোটে ঢুকতে চাইছে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি।

এবার, যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক জোট কমপ্রিহেন্সিভ এন্ড প্রোগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশীপ বা সিপিটিপিপি’তে যোগ দেয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে দেশটি।

আর চীন এটি করেছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র আর অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক একটি নিরাপত্তা চুক্তির হওয়ার পরের দিন।

এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অংশীদারত্বমূলক এই বাণিজ্য চুক্তিতে যোগ দিতে চীনা বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েন্তাও নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রী ও সিপিটিপিপির বর্তমান ডিপোজিটরি ড্যামিয়েন ও কনরের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ।

এর আগে চীনকে চাপে ফেলতেই সিপিটিপিপি জোট এবং চুক্তিটি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ওবামা শাষনামলে। তবে ক্ষমতায় আসার মাত্র এক বছর পর ২০১৭ সালে এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও সিপিটিপিপি জোটের চুক্তিতে সই করে ১১টি দেশ। অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ব্রুনেই, কানাডা, চিলি, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম।

২০১৮ সালে কার্যকর হওয়া এই চুক্তিতে বাজারে প্রবেশ, শ্রমিকের চলাচল ও সরকারি ক্রয়চুক্তিতে আন্তঃসহযোগিতা র মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। জোটের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষীক বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধার কথা উল্লেখ আছে।

গত বছর আরসিইপি জোট ও চুক্তি হয় চীনের নেতৃত্বে। বর্তমানে আরসিইপি-ভুক্ত ১৫ দেশের মোট জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির ৩০ শতাংশ।

আর, সিপিটিপিপি জোটের ১১ দেশে আছে বিশ্ব জিডিপির সাড়ে ১৩ শতাংশ। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের দু’টি বড় বাণিজ্য জোটেই এখন যুক্তরাষ্ট্রেরে নাম নেই। এখন চীনের সর্বশেষ উদ্যোগের পর যুক্তরাষ্ট্র কি করে সেটিই দেখার বিষয়।


একাত্তর/এসএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন