ঢাকা ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৮ কার্তিক ১৪২৮

ক্যাসিনোকাণ্ডে দুদকের ২৩ মামলায় ধীর গতি

জেমসন মাহবুব, একাত্তর
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২২:২০:০৯ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:১২:৩২
ক্যাসিনোকাণ্ডে দুদকের ২৩ মামলায় ধীর গতি

দুই বছর আগে দেশের বিভিন্ন ক্লাবে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চালিয়েছিলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর ক্যাসিনোকাণ্ডে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ২৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। 

এরমধ্যে ১২টি মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। এরপর আর কোন অগ্রগতি নেই। দুদক বলছে, করোনার কারণে এগোয়নি মামলার তদন্ত, তাই এই দীর্ঘসূত্রিতা। তবে দ্রুত বাকি সব মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

১০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় শুরু হয় ক্যাসিনোবিরোধী শুদ্ধি অভিযান। চলে প্রায় দেড় মাস। মতিঝিল থেকে এই অভিযান ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়।

ধারাবাহিক এই সব অভিযানে সামনে আসে ক্যাসিনোর অন্ধকার জগতের তথ্য। বেরিয়ে আসে  হোতাদের নাম, তাদের বিত্ত বৈভবের খবর।

অভিযান চলে রাজধানীতে আটটি ও চট্টগ্রামে তিনটি। জব্দ করা হয় প্রায় ২৭০ কোটি টাকার এফডিআর ও নগদ অর্থ। উদ্ধার করা হয় কয়েক কোটি টাকার ক্যাসিনো সামগ্রী। 

গ্রেপ্তার হন যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, ব্যবসায়ি জিকে শামীম, অনলাইন ক্যাসিনোর হোতা সেলিম প্রধান, কাউন্সিলর পাগলা মিজান, তারেকুজ্জামান রাজীবসহ দেড় শতাধিক ব্যক্তি।

তদন্ত শুরু হয় ক্যসিনো কারবারে অঢেল সম্পদের উৎসের সন্ধানে। দুদকের তালিকায় উঠে আসে ডজনখানের সংসদ সদস্যের নাম। তাদের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। 

অনুসন্ধান শেষে, ১৪ জনকে আসামি করে ২৩টি মামলা করে কমিশন। এরমধ্যে ১২টি মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে দুদক। দ্রুত বাকি সব মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান। 

তিনি বলেন, চাপমুক্ত হয়ে, স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করেছে দুদক। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ক্যাসিনো কারবারিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। 

এই দুদক কমিশনার জানান, কারো পরিচয় দুদকের কাছে মুখ্য নয়। অপরাধী যেই হোক না কেন অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ছাড় দেয়া হবে না। 



একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন