ঢাকা ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

'মার্কিন বিনিয়োগের জন্য ইপিজেড আর হাইটেক পার্ক প্রস্তুত'

ফারজানা রুপা, একাত্তর
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৪৮:১১ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩:২৫:০৫
'মার্কিন বিনিয়োগের জন্য ইপিজেড আর হাইটেক পার্ক প্রস্তুত'

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, পর্যাপ্ত জ্বালানী  আর উদার বিনিয়োগ নীতির দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্যবসায়ী কাউন্সিলের বৈঠকে ২৮টি হাইটেক পার্ক মার্কিন বিনিয়োগের অপেক্ষায় আছে বলে ব্যবসায়ীদের জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সফরের তৃতীয় দিনে জাতিসংঘের উদ্বোধনী পর্বের অনুষ্ঠানসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেয়ার পাশাপাশি করোনা পরবর্তী অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বাণিজ্যিক- কূটনীতিতে সময় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

গোটা পৃথিবীর সব নাগরিকেরই সমান অধিকার ও নিরাপত্তা যে নিশ্চিত করা সম্ভব- তা করোনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে বলে মত দেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। জলবায়ু তহবিল বা টিকার ফর্মুলা দিয়ে দিতে কেউ যেন আর কারো জন্য অপেক্ষা না করে তিনি সেই আহবানের মধ্য দিয়ে ৭৬তম সাধারণ অধিবেশন শুরু করেন।

সকাল ৯টা থেকে সেই পর্ব সেরেই জাতিসংঘ ভবনেই সুইডেন ও কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা মোকাবেলায় গত দেড় বছর নিজেদের টিকে থাকার কৌশল তুলে ধরেন তিনি। সেইসাথে তাদের প্রতি আহবান জানান বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর।

আরও পড়ুন: বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ২৩ কোটি ছাড়ালো

এই ধারাবাহিকতাতেই বিকালে সময় দেন বাংলাদেশি ও মার্কিন ব্যবসায়ী নেতাদের। জানান, একশ'টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের একটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের জন্য সংরক্ষিত। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, বাড়তে থাকা অর্থনীতির কলেবর, বিশাল মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী আর সরকারের নীতিকে বিনিয়োগের পক্ষে যুক্তি হিসাবে তুলে ধরেন তিনি। ২৮টি হাইটেক পার্ক, নবায়নযোগ্য শক্তি আর আইসিটিসহ বিনিয়োগের খাতগুলো কি হতে পারে তাও জানিয়ে দেন পরিষ্কার।

দিনের উল্লেখযোগ্য আরেক পর্ব ছিল নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক জাতিসংঘের ফোরামে অংশ নেয়া। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, বারবার হত্যার জন্য হামলা হওয়া সত্ত্বেও কেবল মানসিক শক্তির দৃঢ়তায় কেমন করে নেতৃত্ব টিকে থাকে বা অবৈতনিক শিক্ষা আর একবেলা খাবার কেমন করে নারী শিক্ষার হার বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশে- তার বলা সেই কথা শোনেন পৃথিবীর নানা দেশের নারী সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা।


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন