সেকশন

শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
 

নেতানিয়াহুর বিচার কীভাবে বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র?   

আপডেট : ২৪ মে ২০২৪, ০৬:০৬ পিএম

গত ৭ অক্টোবর গাজায় শুরু করা ইসরাইলি বাহিনীর নারকীয় অভিযানে এরই মধ্যে সেখানে ৩৫ হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া নির্বিচার বোমা হামলায় উপত্যকাটির বড় অংশ পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। একের পর এক যুদ্ধাপরাধ ও মানবিকতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ত এবং ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইসিসি-তে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রচণ্ড চাপে রয়েছেন নেতানিয়াহু।    

২০১৪ সালে একবার যুদ্ধে জড়িয়েছিল হামাস ও ইসরাইল। ২০১৭ সালে সেই যুদ্ধের তদন্ত শুরু করে আইসিসি, ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়। পরে মহামারির ধাক্কা কেটে গেলেও তদন্ত আর শুরু হয়নি। কিন্তু গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলা ও তার জেরে গাজায় অভিযান শুরুর পর সেই তদন্ত ফের পুনরুজ্জীবিত করে আইসিসি। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে গাজা-ইসরাইল সীমান্ত ঘুরে এসেছেন আইসিসির শীর্ষ প্রসিকিউটর করিম খান। সেই সফরের সময় পুরনো সেই তদন্ত ফের শুরু করা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।   

এরমধ্যে গাজায় গণহত্যা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-তে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনও করেছেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান। গেল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এই আবেদন করা হয়। আইসিসির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে আবেদনের ঘোষণাপত্র। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগে আইসিসির তিন প্যানেল বিচারপতির কাছ থেকে অনুমোদন লাগবে। ওই তিন বিচারপতি হচ্ছেন রোমানিয়া, বেনিন ও মেক্সিকোর।       

নিজেদের বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা ঠেকাতে এরইমধ্যে জরুরি বৈঠক করেছেন নেতানিয়াহু। দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল-এর তথ্য অনুসারে, কীভাবে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এড়ানো যায়, তা খুঁজে বের করতে গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশটির তিনজন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সরকারি আইনজীবী এই জরুরি বৈঠক করেছেন।        

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। দেশটি বলছে, এটি ‘নজিরবিহীন অপমান’। তবে ইসরাইলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন বিটসেল্ম বলেছে, এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ‘ইসরায়েলের নৈতিক অধঃপতনের’ প্রতীক। সংগঠনটি আরও বলেছে, ‘আন্তর্জাতিক মহল ইসরাইলকে ইতিমধ্যে সংকেত পাঠিয়েছে যে তারা (ইসরাইল) তাদের সহিংসতা, হত্যা ও ধ্বংসের নীতি বজায় রাখবে কিন্তু জবাবদিহি করবে না, এমনটা চলবে না।'         
 
অন্যদিকে, মানবাধিকার কর্মীরা বহু বছর ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে শক্তিশালী পশ্চিমা দেশগুলো ইসরাইলের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়টা দেখতেই পায় না। অথচ তাদের শিবিরে নেই, এমন রাষ্ট্রের নিন্দা করতে বা তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যুক্তরাষ্ট্র পিছপা হয় না।      

গত ১ মে, বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছিলো, প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে টেলিফোন করে আইসিসিকে সম্ভাব্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা থেকে বিরত রাখতে ওয়াশিংটনের প্রভাব খাটানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।         

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে আদালতের রোম সংবিধিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো সুযোগ থাকলে, ইসরায়েলের সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক করতে বাধ্য থাকবে। রোম সংবিধিতে স্বাক্ষরকারী ১২৪টি দেশের মধ্যে নেই রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে সই করেনি ইসরাইলও। ফলে আইসিসি যদি সত্যিই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, তা হলে ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রে নেতানিয়াহু কিংবা ইয়োয়াভ গ্যালান্তের গ্রেপ্তার হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।       

তবে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন আইসিসিকে স্বীকৃতি দেয়। তাই পরোয়ানা জারি হলে ইউরোপের দেশগুলোসহ বিশ্বের অনেক দেশেই সফর বন্ধ করতে হবে নেতানিয়াহু, গ্যালান্ত ও আইডিএফের সামরিক কর্মকর্তাদের। কারণ, পরোয়ানা বাতিল হওয়ার আগ পর্যন্ত সেসব দেশে গেলে গ্রেপ্তার হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে তাদের। অবশ্য আইসিসি তাদের রায়ে জানিয়েছে যুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচারের আইনি কর্তৃত্ব তাদের রয়েছে। তার কারণ ফিলিস্তিন স্বাক্ষরকারী দেশের মধ্যে আছে।       

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যদি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে বলে আভাস মিলেছে। 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের এক বক্তব্য থেকে এ আভাস পাওয়া যায়। তিনি বলেছেন, ইসরাইলের নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া আইসিসির প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা জারি নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তাতে তিনি মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে একত্রে কাজ করবেন। কংগ্রেসের এক শুনানিতে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল এ সিদ্ধান্তের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি ‘প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’।        

ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, ‘নিঃসন্দেহে একরোখা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য আমাদের উদ্যোগী হতে হবে।’ 

তার এ ঘোষণা এমন সময় এলো যখন আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য রিপাবলিকানদের চাপ বাড়ছে। খুব তাড়াতাড়ি, হয়তো এ সপ্তাহেই এ বিষয়ে ভোট হতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য দেশ নয়। কিন্তু ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার সিদ্ধান্তের সময় আইসিসির কৌঁসুলিদের সমর্থন করেছে দেশটি।         

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন

আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য মার্কিন কংগ্রেসে দুটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন ‘আপত্তিকর’। তার মতে, ‘ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে কোনও তুলনাই হতে পারে না।'        

অন্যদিকে, হামাস তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেছে, আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি, ‘ভুক্তভোগীর সঙ্গে জল্লাদের তুলনা করেছেন।'      

এ পরিস্থিতিতে নরওয়ে বলেছে, আইসিসি পরোয়ানা জারি করলে তারা দেশে প্রবেশমাত্র নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবে।        

বিচার কিভাবে বন্ধ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র?   

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্য নয়। কিন্তু আমেরিকান সার্ভিস-মেম্বারস প্রোটেকশন অ্যাক্ট (এএসপিএ) আইনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পক্ষ থেকে বা অনুরোধে আটক বা বন্দী করা কোনো মার্কিন বা মিত্র দেশের কর্মীদের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং উপযুক্ত উপায়গুলি ব্যবহার করার জন্য’ অনুমোদন করে। এই অনুমোদনের ফলে এই আইনটিকে ‘দ্য হেগ আক্রমণ আইন’ নামেও ডাকা হয়, কারণ এই আইনটি কোনো মার্কিন সামরিক-বেসামরিক নাগরিক বা তার মিত্র দেশের কর্মীদের বিচার বা হেফাজত থেকে তাদের উদ্ধার বা রক্ষা করার জন্য।            

কি বলা হয়েছে আইনটিতে?     

আমেরিকার উপর সন্ত্রাসী হামলা থেকে পুনরুদ্ধার এবং প্রতিক্রিয়ার জন্য ২০০২ সালের সম্পূরক বরাদ্দ আইনের একটি সংশোধনী হিসেবে, মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর জেসি হেলমস এবং মার্কিন প্রতিনিধি টম ডেলে বিলটি উত্থাপন করা করেছিলেন, পরে যেটি মার্কিন সিনেটে ৭৫-১৯ ভোটে পাস হয়েছিল। আইনটির সমর্থনে ৩০ জন ডেমোক্র্যাট এবং ৪৫ জন রিপাবলিকান সদস্য ভোট দিয়েছিলেন। এরপর ২ আগস্ট, ২০০২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বিলটিকে আইনে রুপান্তর করার কপিতে স্বাক্ষর করেন।         

এসইসি ২০০৮. আইনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে ‘উপধারা (বি) তে বর্ণিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পক্ষে বা অনুরোধে আটক বা কারারুদ্ধ করা যেকোন ব্যক্তির মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং উপযুক্ত সমস্ত উপায় ব্যবহার করার জন্য অনুমতি দেয়’। উপধারা (বি) রাজ্য সরকারকে এই আইনের দ্বারা ‘কভার্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিদের’ (যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নির্বাচিত বা নিযুক্ত কর্মকর্তা, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নিযুক্ত বা কাজ করা অন্যান্য ব্যক্তিদের)  এবং ‘কভারড অ্যালাইড ব্যক্তি’ (সামরিক কর্মী, নির্বাচিত বা নিযুক্ত কর্মকর্তা এবং ন্যাটো সদস্য দেশ, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, ইসরায়েল, জাপানসহ একটি প্রধান অ-ন্যাটো মিত্র সরকারের পক্ষে নিযুক্ত বা কাজ করা অন্যান্য ব্যক্তিরা, আর্জেন্টিনা, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, এবং নিউজিল্যান্ড) মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং উপযুক্ত উপায়গুলি ব্যবহার করার জন্য’ অনুমোদন করে।     

এই আইনে ফেডারেল, রাজ্য এবং স্থানীয় সরকার এবং সংস্থাগুলিকে (আদালত এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি সহ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (ICC) সহায়তা করা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আইনটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আইসিসির কাছে কোনো ব্যক্তির প্রত্যর্পণ, আইসিসিতে শ্রেণিবদ্ধ জাতীয় নিরাপত্তা তথ্য এবং আইন প্রয়োগকারী তথ্য স্থানান্তর এবং আদালতের এজেন্টদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তদন্ত পরিচালনা করতে নিষেধ করা হয়েছে।     

আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান

আইনটি আইসিসির পক্ষভুক্ত দেশগুলিতে মার্কিন সামরিক সহায়তাকেও নিষিদ্ধ করে। যদিও, ব্যতিক্রম রয়েছে ন্যাটো সদস্য, প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র, তাইওয়ান এবং যে দেশগুলি ‘আর্টিকেল ৯৮ চুক্তিতে’ সাক্ষর করা সদস্যদের ক্ষেত্রে যারা মার্কিন নাগরিকদের আইসিসির কাছে হস্তান্তর না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। উপরন্তু, আইনটি আইসিসি কর্তৃক বিচারের জন্য চাওয়া বিদেশি নাগরিকদের অনুসন্ধান এবং গ্রেপ্তারে সহায়তা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিষিদ্ধ করে না, বিশেষ করে সাদ্দাম হোসেন, স্লোবোদান মিলোসেভিচ, ওমর আল-বশির এবং ওসামা বিন লাদেনের নাম উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।   

যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময় আইনটির নিন্দা জানিয়েছে। কোয়ালিশন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট এই আইনটিকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক বিচারের বিপজ্জনক প্রতীকী বিরোধিতা’ বলে অভিহিত করেছে এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচও এই আইনের নিন্দা করেছে। ৪ জুলাই, ২০০২-এর একটি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের রেজুলেশন এই আইনের নিন্দা জানিয়েছিলো।    

২০০৮ ধারার আইনটির প্রতি ডাচ প্রতিক্রিয়াও নেতিবাচক ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাচ রাষ্ট্রদূত, বোদেউইজন ভ্যান এনান্নাম, তার প্রতিবাদে বলেছিলেন যে ডাচরা ‘বিশেষভাবে ২০০৮ ধারাটি নিয়ে সন্তুষ্ট নয়’ এবং ‘আমরা মনে করি যে ভাষাটি ব্যবহার করা হয়েছে তা অন্তত বলার জন্য খারাপ বিবেচিত হয়েছিল’। ডাচ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস বিলটি এবং ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের উপর এর ‘ক্ষতিকর’ প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি প্রস্তাবও পাস করে।     

এআর
একের পর এক হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে গাজার দক্ষিঞ্চলীয় রাফাহ শহর। গাজার শেষ আশ্রয় এই শহরটির আরও ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে ইসরাইলি ট্যাংক।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরাইলি বর্বর হামলায় আরও ৩৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৩৭ হাজার ৪০০।
বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ লোহিত সাগর এখন ইসরাইল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য রীতিমতো নরকে পরিণত হয়েছে। ইয়েমেন সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি যোদ্ধাদের তাণ্ডবে এই সমুদ্রপথে প্রায় প্রতিদিনই পশ্চিমা বাণিজ্য...
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা ও আগ্রাসন চালাতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনীর ৭০ হাজারের বেশি সেনা যুদ্ধের জন্য অক্ষম হয়ে পড়েছে। গাজা যুদ্ধে এ পর্যন্ত আট হাজারের বেশি আহত ও হাজারের বেশি...
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। দংশন করা স্থানে ক্ষতের চিহ্ন দেখে স্থানীয়দের ধারনা, তাকে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপে কামড় দিয়েছে।
সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’ এখন তুঙ্গে। ঈদের অন্যান্য সিনেমার মধ্যে ‘তুফান’ মুক্তি পাওয়ার প্রথম দিন থেকেই দর্শকের আগ্রহের শীর্ষে। ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশজুড়ে ১২০টির বেশি প্রেক্ষাগৃহে চলছে...
পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে আসা পানির প্রবল স্রোত ও ভারী বর্ষণের পর বন্যা কবলিত সিলেট অঞ্চলে কিছুটা সুখবর মিলেছে। নতুন করে বৃষ্টি হয়নি, আকাশ থেকে মেঘ সরে দেখা মিলেছে রোদের। 
কথায় বলে রেকর্ডের খেলা ক্রিকেট। একটি ম্যাচের প্রতিটি বলেই থাকে রেকর্ডের হাতছানি। তবে, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি অনন্য রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। বিশ্বকাপের আসরে তিনিই...
লোডিং...
Nagad Ads
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর


© ২০২৪ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত