ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

অপেক্ষা শেষ, রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জে ভোট

ইশতিয়াক ইমন, একাত্তর
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ২০:৪৪:০২ আপডেট: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ২০:৫৩:৩৮
অপেক্ষা শেষ, রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জে ভোট

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের প্রচার শেষ। এখন অপেক্ষা ভোটের। রাত পোহালেই নিজেদের নগর পিতা বেছে নেবেন নারায়ণগঞ্জবাসী

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদের লড়াইয়ে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও বিএনপি নেতা তৈমুর আলম খন্দকার, যিনি লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে।

নগরীর নিরাপত্তা জোরদার করতে মাঠে নেমেছে ১৮ প্লাটুন বিজিবি। নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে প্রতিটি ওয়ার্ড ও ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

১৯২টি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় তিন স্তরে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাঁচ হাজার। সেই সঙ্গে কেন্দ্রে ও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ব্যবস্থা। 

র‌্যাব, পুলিশ আর বিজিবির পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় টহলে থাকবেন ২৭ জন নির্বাহী হাকিম ও ১৪ জন বিচারিক হাকিম।

কেন্দ্রে এসে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছেন জেলা পুলিশ প্রশাসন। জেলা পুলিশ সুপার জানান, একটি মডেল নির্বাচন উপহার দেয়াই তাদের লক্ষ্য। 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন, ‘কাউকে কেন্দ্র দখল ও প্রভাব বিস্তার করতে দেয়া হবে না।’

ক্যালেন্ডারে ১৫ জানুয়ারি শুরু হতেই শেষ হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের সব প্রচার। মেয়র পদের প্রধান দুই প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলরা শেষ মুহূর্তে পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রচারে।

গোটা নারায়ণগঞ্জ শহর জুড়ে ছেয়ে আছে পোস্টার। চারিদিকে সাজ সাজ রব। চায়ের দোকান থেকে বাসা বাড়ি সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, কেমন হবে ভোট।

ভোট নিরাপদ হবে এমন আশ্বাস দিয়ে জেলা পুলিশ সুপার আরও জানান, ভোটের দিন চলাচল করতে জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখতে হবে। বহিরাগত কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না। 

এদিকে, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, এরিমধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে। হাকিমরা কাজ শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, ভোটের মাঠে পুলিশের ৭৫টি ও র‌্যাবকে ৬৫টি টিম কাজ করবে। নির্বাচনের জন্য যারা হুমকি হতে পারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে। কারো কোনো অভিযোগ থাকলে লিখিত জানালেই ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন

করোনা প্রটোকল মেনে ভোট দিতে হবে। সব কেন্দ্রে সুরক্ষা সামগ্রী থাকবে। ভোটাররা যাতে মাস্ক পরে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দেয় তা নিশ্চিত করা হবে।

নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলমের অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক জানান, তারা লিখিত, ফোনে বা অন্য মাধ্যমে কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাসিকের ২৭টি ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন। এরমধ্যে দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮৩৯ জন পুরুষ ও দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১৭ জন নারী ভোটার।



একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৩ দিন ২ ঘন্টা আগে