ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

রোজা শুরুর আগেই যথারীতি চড়া মাংসের বাজার

রিয়াজ সেজান, একাত্তর
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২২ ২১:২৫:৫২ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২২ ২২:৪৭:৩৯
রোজা শুরুর আগেই যথারীতি চড়া মাংসের বাজার

এমন শঙ্কার কথার বেশ কিছু দিন ধরেই বলে আসছিলেন রাজধানীর ক্রেতারা। তারা আশংকা করছিলেন, রোজা আসলেই খাদ্য ও নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বাড়বে। 

সেই আশংকাই ঠিক হলো। রোজা শুরু হবার দুদিন আগেই বাজারে সব রকম মাংসের দাম বেড়ে গেছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। একেক বাজারে একেক রকম দামে বিক্রি হচ্ছে মাংস। 

মাত্র এক সপ্তাহে এতোটা দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। যথারীতি বলেছেন পুরনো কথা। চাহিদার তুলনায় যোগান কম। 

সেই সঙ্গে পশু খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে সেই খবরও তাদের কাছ থেকে জানতে হয়েছে। তারা জানালেন, পশু খাদ্যের দাম বাড়ার কারণেই মাংসের দাম বেড়েছে। 

শুক্রবার ছুটির দিন রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গিয়ে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় এক ক্রেতার। সাংবাদিক শুনেই বাজার পরিস্থিতি নিয়ে হাজারো অভিযোগ উগড়ে দিলেন। 

তবে তার সবচেয়ে বেশি আক্ষেপ অন্য জায়গায়। তিনি জানালেন, রমজানে সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে পণ্যের দাম কমে, আর আমাদের এখানে বাড়ে। এর রহস্য কোথায়?

রোজার আগে মাংস কিনতে আসা ক্রেতাদের এই ক্ষোভের কারণ সব রকম মাংসের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি। মাত্র এক সপ্তাহর ব্যবধানে গরু ও খাসির দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। 

ফলে গরুর মাংসের দাম ছুঁয়েছে ৭০০ আর খাসি ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা। অথচ একদিন আগেও বাজারের গরুর মাংস মিলেছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকাতেও।

গরু বা খাসির মাংসের দাম নির্ধারণ করে থাকে ঢাকার বাজারে সিটি করপোরেশন। কিন্তু নির্ধারিত সেই দামের তালিকা রাখা হয় উল্টো করে। 

সেই সঙ্গে ক্রেতা বুঝে ইচ্ছে মতো দাম হাঁকেন বিক্রেতারা। কিন্তু ক্যামেরার সামনে তারা দেন ভিন্ন অজুহাত। 


গাবতলীর হাট ঘুরে দেখা গেলো গরু খাসির বিপুল যোগান। সেখানেও হাঁকা হচ্ছে বাড়তি দাম। কিন্তু সপ্তাহর ব্যবধানে একযোগে দাম বাড়ার কোন যৌক্তিক উত্তর নেই কারও কাছে। 

বাড়তি মুরগীর দামও। সপ্তাহর ব্যবধানে বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার ১৮০, লেয়ার ২৬৫ ও কক মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: শিগগিরই নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা: শিক্ষামন্ত্রী

বড় দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে পিস প্রতি ৫০০, মাঝারি ৪৫০ ও ছোট মুরগি ৪০০ টাকায়। অথচ গত সপ্তাহেও ব্রয়লার ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অজুহাত যোগানের তুলনায় চাহিদা বেশি। তাই ১০ রমজান পর্যন্ত বেশীই থাকবে মাংসের দাম। ঈদের আগে আরেক দফা দাম বাড়ার কথাও বলছেন ব্যবসায়ীরা। 


মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৩ দিন ২ ঘন্টা আগে